ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে পর্যবেক্ষক হিসেবে দায়িত্ব পালনকারী শিক্ষক সংগঠন ইউনিভার্সিটি টিচার্স লিংক (ইউটিএল) জানিয়েছে, এখন পর্যন্ত তাদের নজরে কোনো ধরনের কারচুপির ঘটনা ঘটেনি।
মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) ডাকসু নির্বাচন পর্যবেক্ষণকালে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় সংগঠনটির পর্যবেক্ষক দল এই তথ্য জানায়।
কারচুপির মতো কোনো ঘটনা নজরে পড়েছে কি না-সাংবাদিকদের এ প্রশ্নের জবাবে ইউটিএল’র পর্যবেক্ষক দল বলে, এখন পর্যন্ত কারচুপির মতো কোনো ঘটনা আমাদের চোখে পড়েনি। কেউ হয়তো অভিযোগ করতে পারে, দু-একটি ছোটখাটো বিষয়ে অভিযোগ উঠেছে, তখন আমরা দেখেছি তাদেরকে বের করে দেওয়া হচ্ছে।
পর্যবেক্ষক দলটি জানায়, অত্যন্ত সুশৃঙ্খল ও নিয়মতান্ত্রিকভাবে এবং উৎসবমুখর পরিবেশে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কিছু কেন্দ্রে কিছু অসুবিধা রয়েছে; যেমন-দীর্ঘ লাইন, মেয়েদের দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে, রোদ ও গরম। তবু খুবই আনন্দমুখর পরিবেশে শিক্ষার্থীরা ভোট দিচ্ছে। গরমের কারণেই কয়েকটি কেন্দ্রের পরিবেশ অসহনীয়, কিন্তু সেই অবস্থাকে উপেক্ষা করেই শিক্ষার্থীরা ভোটদানের আগ্রহ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে।
ইউটিএল’র পর্যবেক্ষক দল আরও জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকরা অত্যন্ত ধৈর্য্যের সঙ্গে নিয়মমাফিক ভোট গ্রহণ করছেন। তেমন কোনো ব্যত্যয় নেই। তবে কিছু কিছু জায়গায় অনেকে নিয়ম ভঙ্গ করে কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করছে; প্রক্টরিয়াল টিম ও অন্যান্যরা তাদের বের করে দিচ্ছেন। পর্যবেক্ষক কার্ড ভিন্ন কয়েকজন কেন্দ্রে ঢোকার চেষ্টা করলে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রক্টরিয়াল টিম তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দিচ্ছে। নির্বাচনটি সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার এই প্রচেষ্টা অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক।
উল্লেখ্য, ডাকসু নির্বাচন মঙ্গলবার (৯ আগস্ট) সকাল ৮টা থেকে শুরু হয়েছে। ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৪টা পর্যন্ত। ডাকসুর জন্য পাঁচ প্যানেলের ব্যালট ও হল সংসদের জন্য এক প্যানেলের ব্যালট ব্যবহৃত হচ্ছে। মোট একজন ভোটারকে ছয় প্যানেলের ব্যালট পেপারে ভোট দিতে হচ্ছে। এবার ডাকসুর ২৮টি পদের জন্য প্রার্থী রয়েছেন মোট ৪৭১ জন।