ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্রসংসদ (ডাকসু) নির্বাচনে সহ-সভাপতি (ভিপি) প্রার্থী উমামা ফাতেমা আগেই নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দিয়েছিলেন।
বুধবার (১০ সেপ্টেম্বর) ভোরে তিনি সামাজিক মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাসে তিনি বলেন, নির্বাচনে কারচুপির অভিনব পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছে এবং ছাত্রশিবির জাতির সঙ্গে বেঈমানি করেছে।
উমামা ফাতেমা নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে ভোর ৫টা ৪০ মিনিটে দেওয়া স্ট্যাটাসে লিখেছেন, ‘কারচুপির নির্বাচনের জন্য ১৪০০ মানুষ মরছে! একি ইতিহাস, একি ব্যবস্থা। এতগুলা পরিবার নিঃস্ব হলো। অভিনব পন্থায় নির্বাচন কারচুপি হয়েছে। বাংলাদেশের ইতিহাসের কালো রাত হয়ে থাকবে। নিজেদের হীনস্বার্থের জন্য ইসলামি ছাত্রশিবির জাতির সঙ্গে কতটা বেঈমানি করেছে তা ইতিহাসের পাতায় লেখা থাকবে।’
এর আগে, রাত সাড়ে ৩টার দিকে তিনি আরও একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন। সেখানে তিনি একে ‘সম্পূর্ণ নির্লজ্জ কারচুপি’ আখ্যা দিয়ে পুনরায় বয়কটের ঘোষণা দিয়েছেন। তিনি লিখেছেন, ‘বয়কট! বয়কট! ডাকসু বর্জন করলাম। ৫ আগস্টের পরে জাতিকে লজ্জা উপহার দিল ঢাবি প্রশাসন।’
উমামার মন্তব্য ও অভিযোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। তার অভিযোগ অনুযায়ী, শুধু নির্বাচনের ফলাফল নয়, পুরো প্রক্রিয়ায় এমন ধরণের অনিয়ম ঘটেছে যা ভবিষ্যতে বাংলাদেশের শিক্ষার্থী রাজনীতির ইতিহাসে কালো অধ্যায় হিসেবে লেখা থাকবে।