সাতক্ষীরায় পৃথক স্থানে একদিনে পানিতে ডুবে চার শিশু ও এক কিশোরের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (১৫ সেপ্টেম্বর) জেলার কলারোয়া, শ্যামনগর, সদর, আশাশুনি ও কালিগঞ্জ উপজেলায় এ ঘটনা ঘটে।
মৃতরা হলো- দেড় বছরের লামিসা খাতুন ও ঈশিতা সানা, ইরফান খাঁ (২), ফয়সাল হোসেন (১৬)। তবে এক কন্যা শিশুর নাম জানা যায়নি।
তথ্য অনুযায়ী, জেলার কলারোয়া উপজেলার কেড়াগাছি গ্রামে দুই বছরের শিশু ইরফান খাঁ পানিতে ডুবে মারা যায়।
কলারোয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ সাইফুল ইসলাম জানান, দুপুরে গোসল করানোর জন্য শিশুটিকে ঘরের বাইরে রেখে অন্য কাজে যায়। এর কিছুক্ষণ পর তাকে খুঁজে না পেয়ে পরিবারের লোকজন চারদিকে খোঁজাখুঁজি শুরু করে। একপর্যায়ে রান্নাঘরের পাশের একটি ডোবা থেকে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
সদর উপজেলার ফিংড়ী ইউনিয়নের এলারচর আবাসন প্রকল্পে পানিতে ডুবে এক কন্যা শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সোমবার বিকেলে এঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামিনুল হক।
জেলার শ্যামনগর উপজেলার চন্ডিপুর গ্রামে ফয়সাল হোসেন নামে এক মানসিক প্রতিবন্ধী কিশোর পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে।
শ্যামনগর থানার ভারপ্রাপ্ত (ওসি) মোল্যা হুমায়ুন কবির বলেন, রবিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় এক চায়ের দোকানে বসে থাকার পর থেকে তিনি নিখোঁজ হন। নিখোঁজ পর অনেক খোঁজাখুঁজির পর সোমবার দুপুরে বাড়ির পাশের একটি ডোবা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
কালিগঞ্জ উপজেলার ইন্দ্রনগর গ্রামে লামিসা খাতুন নামে এক দেড় বছরের এক শিশু পানিতে ডুবে মারা যায়।
উপজেলার নলতা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আজিজুর রহমান পাড় জানান, সোমবার দুপুরে বাড়িতে না পেয়ে খোঁজাখুঁজির একপর্যায়ে বাড়ির উঠানের পাশের পুকুর থেকে তাকে উদ্ধার করে স্থানীয় ক্লিনিকে নেওয়া হলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
আশাশুনি উপজেলার বড়দল ইউনিয়নের বামনডাঙ্গা গ্রামে পানিতে ডুবে দেড় বছরের শিশু ঈশিতা সানার মৃত্যু হয়।
পরিবারের বরাতে আশাশুনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সামছুল আরেফিন জানান, বড় বোন মমতা সানার সঙ্গে বাড়ির পাশের পুকুরে গেলে অসাবধানতাবশত ঈশিতা পানিতে পড়ে যায়। বোন তাকে তুলতে না পেরে বাড়িতে খবর দেয়। পরে মা ও স্থানীয়রা উদ্ধার করলেও ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।