চান্দের গাড়ি দুর্ঘটনায় খুবি শিক্ষার্থীর মৃত্যুতে শোক

রাঙামাটির পর্যটন স্পট সাজেকে চান্দের গাড়ি পাহাড়ের খাদে পড়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের (খুবি) পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের ২১ ব্যাচের শিক্ষার্থী মোছা. রুবিনা আফসানা রিংকী নিহতের খবরে খুবি ক্যাম্পাসে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মধ্যে গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে। নিহত রিংকীর মরদেহ গাইবান্ধায় তার পরিবারের নিকট পাঠানোর জন্য ব্যবস্থা করা হয়েছে।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের স্নাতকোত্তর বিভাগের ছাত্রী হুমায়রা কবির ঝরা ও অন্যান্য শিক্ষার্থীরা বলেন, "সাজেকের দুর্ঘটনায় আমাদেরই একজন ছোট বোন নিহত হওয়ায় খবর পাওয়ার পর আমার মনটা খুবই বিষণ্ন হয়ে গেছে।" 

এর আগে কটকা ট্রাজেডিতে ১১ জন মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যু এবং ২০১১ সালের ২৭ ডিসেম্বরে খুবি ক্যাম্পাসে সড়ক দুর্ঘটনায় ফরেস্ট্রি অ্যান্ড উড টেকনোলজি ডিসিপ্লিনের ’১১ ব্যাচের ছাত্র শেখ মুহম্মদ হাদীউল ইসলাম হাদীর মৃত্যুর দু:খের স্মৃতি এখনো বহন করছে খুবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। এখন আবার সড়ক দুর্ঘটনায় আরেক ছাত্রী রিংকীর মৃত্যুর খবরে বিশ্ববিদ্যালয়ের সবাই শোকাচ্ছন্ন।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য প্রফেসর ড. রেজাউল করিম বলেন, "শিক্ষা সফরে গিয়ে দুর্ঘটনায় একজন মেধাবী শিক্ষার্থীর মৃত্যু খুবই দুঃখজনক। এই খবর পাওয়ার পরই তিনজন শিক্ষক ও দুইজন স্টাফসহ পদার্থবিজ্ঞান ডিসিপ্লিনের ২১ ব্যাচের ৪০ জন শিক্ষার্থী রাঙামাটির উদ্দেশে রওনা হয়েছে। দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসার ব্যাপারে রাঙামাটি-খাগড়াছড়ির জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের মাধ্যমে খোঁজখবর নেওয়া হয়েছে। 

নিহত খুবি শিক্ষার্থী মোছা. রুবিনা আফসানা রিংকী গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার কোমরপুর গ্রামের শিক্ষক দম্পতি আব্দুর রহমান ও জান্নাতুল ফেরদৌসের মেয়ে। তিনি খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হলের আবাসিক শিক্ষার্থী ছিলেন।