সৈয়দপুর–চট্টগ্রাম ও সৈয়দপুর–সিলেট রুটে সরাসরি বিমান চলাচল শুরু হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক)-এর সদস্য (প্রশাসন) ও অতিরিক্ত সচিব এস. এম. লাবলুর রহমান।
সোমবার (২৯ সেপ্টেম্বর) বিকেলে সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ডিপারচার লাউঞ্জে যাত্রীসেবার মান উন্নয়ন, বিভিন্ন সমস্যা এবং যাত্রীদের অভিজ্ঞতা জানতে অনুষ্ঠিত গণশুনানিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, অতি শিগগিরই প্রথমে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের সৈয়দপুর–চট্টগ্রাম রুটে বিমান চলাচল শুরু হবে।
এর পর সৈয়দপুর–সিলেট রুটেও শুরু করা হবে। তিনি আরও বলেন, যাত্রীসেবা বাড়াতে এবং ফ্লাইট ভাড়া নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রতিযোগিতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। এছাড়া সৈয়দপুর বিমানবন্দরের এয়ারফিল্ডের সক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে।
সৈয়দপুর বিমানবন্দর আঞ্চলিক হাবের কাজ কবে শেষ হবে—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে বেবিচকের অতিরিক্ত সচিব বলেন, সৈয়দপুর বিমানবন্দর ঘিরে বেবিচকের বড় পরিকল্পনা রয়েছে। কিন্তু অর্থ ছাড় না হওয়ায় এটি বাস্তবায়নে বিলম্ব হচ্ছে।
অর্থ ছাড় হলেই দ্রুত টার্মিনাল বিল্ডিং নির্মাণ ও রানওয়ে সম্প্রসারণের কাজ শুরু হবে। সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে আঞ্চলিক হাব করার জন্য প্রস্তাবিত নয়শ বারো একর জমি অধিগ্রহণে অর্থ ছাড়ের জন্য মন্ত্রণালয়ে ডিপিপি জমা দিয়েছে বেবিচক।
গণশুনানিতে অংশ নেওয়া যাত্রীরা বিদেশফেরত যাত্রীদের কাছে বকশিশ চেয়ে আনসার সদস্যদের বিড়ম্বনায় ফেলা, ট্রলি সংকট এবং ব্যাগেজ হারানোর মতো নিত্যনৈমিত্তিক সমস্যার দ্রুত সমাধান চান। যাত্রীদের এসব অভিযোগ দ্রুত সমাধানের আশ্বাস দেন তিনি।
সৈয়দপুর বিমানবন্দরের ব্যবস্থাপক এ. কে. এম. বাহাউদ্দিন জাকারিয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব শাকিলা পারভীন, বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের পরিচালক ইফতেখার জাহান হোসেন এবং মানবসম্পদ ও সাধারণ প্রশিক্ষণ বিভাগের উপপরিচালক আবিদুল ইসলাম। এছাড়া সৈয়দপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুল ওয়াদুদসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা ও প্রশাসনের কর্মকর্তারা এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, সৈয়দপুর বিমানবন্দর থেকে চারটি বিমান সংস্থার প্রায় চৌদ্দটি ফ্লাইট দৈনিক সৈয়দপুর–ঢাকা–সৈয়দপুর ও সৈয়দপুর–কক্সবাজার–সৈয়দপুর রুটে যাত্রী পরিবহন করছে।