‘মেসি’র জোড়ায় ব্রাজিল জিতল ৫ গোলে

ব্রাজিলের ২০২৬ বিশ্বকাপে খেলা নিশ্চিত হয়েছে আগেই। তাই চলতি ফিফা উইন্ডোয় এশিয়ায় প্রীতি ম্যাচ খেলতে এসেছে কার্লো আনচেলত্তির দল। গতকাল সিউলের ওয়ার্ল্ডকাপ স্টেডিয়ামে ব্রাজিল ৫-০ গোলে হারিয়েছে দক্ষিণ কোরিয়াকে। ব্রাজিল যেন এদিন ফিরে পেয়েছে তাদের হারানো ছন্দ। মার্চের পর জাতীয় দলে ফেরা রদ্রিগো করেন জোড়া গোল। জোড়া গোল করেন এস্তাভাও উইলিয়ানও। ভিনিসিয়ুস জুনিয়র করেন একটি গোল।

ব্রাজিলে ১৮ বছর বয়সী এস্তেভাওয়ের ডাকনাম ‘মেসিনিও’, যার অর্থ ছোট মেসি। বাঁ পায়ে খেলেন, ডান প্রান্ত থেকে কাট ইন করে ঢোকেন ভেতরে। মেসির খেলার ধরনের সঙ্গে মিলে গেছে খাপে খাপে। সে কারণেই এস্তেভাওয়ের এমন উপাধি। এদিন গোলের শুরুটা করেন এস্তেভাও। ১৩ মিনিটে ব্রুনো গিমারেসের রক্ষণচেরা পাস বাড়ান, ছুটে গিয়ে ছয় গজ বক্সের মুখে ডান পায়ের শটে বল জালে পাঠান এস্তেভাও। ১৭ মিনিটে হেডে জালে বল পাঠান কাসেমিরো। তবে নিজেই অফসাইডে ছিলেন, তাতে মেলেনি গোল। ২০ মিনিটে গোলকিপারকে একা পেয়ে সুযোগ নষ্ট করেন রদ্রিগো। ২৭ মিনিটে ভিনিসিয়ুসের শট অল্পের জন্য বাইরে যায়। ৪১ মিনিটে ব্যবধান দ্বিগুণ করেন রদ্রিগো। ডি-বক্সের বাঁদিক থেকে কাটব্যাক করেন ভিনিসিয়ুস, রদ্রিগো ডামি করে ছেড়ে দেন বল। পরে কাসেমিরোর পাস থেকে গোল করেন রিয়াল মাদ্রিদে খেলা রদ্রিগো।

দ্বিতীয়ার্ধেও আক্রমণাত্মক শুরু করে ব্রাজিল। ৪৭ মিনিটে ডি-বক্সের বাঁদিকে ডিফেন্ডার কিম মিন-জে বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে এস্তেভাওয়ের পায়ে দেন। বল ধরে বাঁ পায়ের শটে নিজের দ্বিতীয় গোলটি করেন চেলসিতে খেলা এই ফরোয়ার্ড। ব্রাজিলের জার্সিতে ৮ ম্যাচে তার গোল হলো ৩টি। দুই মিনিট পর ফের ব্যবধান বাড়ান রদ্রিগো। দেশের জার্সিতে এটি রদ্রিগোর নবম গোল। ৭৭ মিনিটে প্রতি-আক্রমণে মাথিয়াস কুনহার পাস মাঝমাঠে ধরে দ্রুতগতিতে সবাইকে পেছনে ফেলে ছোটেন ভিনি। ডি-বক্সে ঢুকে এক ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে গোল করেন। ব্রাজিলের হয়ে এটি ভিনির দশম গোল।

এশিয়া সফরে আগামী মঙ্গলবার স্বাগতিক জাপানের বিপক্ষে খেলবে ব্রাজিল।