জন প্রশাসন সচিব নিয়ে যা বললেন তাহের

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মুহাম্মদ তাহের বলেছেন,  ‘নির্বাচনের সুষ্ঠু আয়োজনের জন্য সরকারকে নিরপেক্ষ হতে হবে। প্রশাসনও নিরপেক্ষভাবে কাজ করতে হবে। 

সিভিল ও পুলিশ প্রশাসনকেও নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করতে হবে। কিন্তু আমরা দেখছি, সেই নিরপেক্ষ প্রশাসনকে আবার দলীয়করণের জন্য একটি মহাষড়যন্ত্র চলছে।’ 

মঙ্গলবার মৎস্য ভবন এলাকায় মানববন্ধন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।  

তাহের বলেন, গত পরশু জনপ্রশাসনে একজন সচিবকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আমরা আগেই সরকারকে জানিয়েছিলাম, এই পদটি নির্বাচনের আগে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এখানে সাধারণত সিএসপিদের ও বিভাগীয় কমিশনারদের নিয়োগ হয়। এজন্য একজন সৎ ও যোগ্য, নিরপেক্ষ ব্যক্তিকে নিয়োগ দেওয়া উচিত ছিল।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, সরকারের কিছু উপদেষ্টা আমাদের আশ্বস্ত করেছিলেন যে এখানে কোনো দলীয় বা অসৎ লোক নিযুক্ত করা হবে না। 

আপনারা নিশ্চিত থাকুন, এখানে নির্দলীয়, সৎ ও যোগ্য ব্যক্তিকে বসানো হবে। কিন্তু আমরা বিস্ময়ভরে দেখছি, আমাদের সঙ্গে কথা বলার একদিন পরেই এমন একজনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে, যার অতীতের দুর্নীতির ইতিহাস দীর্ঘ। তিনি একটি দলের প্রতি সম্পূর্ণভাবে অনুগত এবং বিভিন্ন সময়ে বিশেষ দলের ছাত্র ও রাজনৈতিক সংগঠনের বিভিন্ন দায়িত্ব পালন করেছেন।

গত ১২ অক্টোবর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন সিনিয়র সচিব হিসেবে মো. এহছানুল হককে নিয়োগ দেওয়া হয়। এর আগে তিনি চুক্তিতে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

গত ২১ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের দায়িত্ব চালিয়ে আসা মো. মোখলেস উর রহমানকে ২১ সেপ্টেম্বর পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সিনিয়র সচিব) হিসেবে বদলি করা হয়।  

সেই হিসেবে ২১ দিন পর নতুন সচিব পেল জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। মোখলেস উর রহমানকে সরানোর পর থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের ক্যারিয়ার প্ল্যানিং ও প্রশি¶ণ অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব‌ আবু শাহীন মো. আসাদুজ্জামান সচিবের রুটিন দায়িত্ব চালিয়ে আসছিলেন।