কচুয়া-শার্শায় দুজন খুন

বাগেরহাটের দিঘি থেকে ভাসমান অবস্থায় সুমন্ত বিশ্বাস (৪৫) নামে এক নির্মাণশ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে বাগেরহাট শহরতলির পচা দিঘি থেকে ওই নির্মাণশ্রমিকের মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। সুমন্ত বিশ্বাস শহরের দশানী এলাকায় ভাড়াবাড়িতে পরিবার নিয়ে বসবাস করতেন। তিনি পেশায় রাজমিস্ত্রি ছিলেন।

পরিবারের বরাত দিয়ে বাগেরহাট সদর মডেল থানার ওসি মো. মাহমুদন্ডউল-হাসান বলেন, স্থানীয় লোকজন পচা দিঘিতে মরদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ সেখানে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করলে তার পরিবারের সদস্যরা নির্মাণ শ্রমিক সুমন্ত বিশ্বাসকে শনাক্ত করেন। গত সোমবার সকালে সুমন্ত বিশ্বাস কাজের সন্ধানে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন হাতে পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

এদিকে, বাগেরহাটের কচুয়ায় জাহিদুল ইসলাম মিন্টু (৪৫) নামে এব ব্যক্তিকে পিটিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গত সোমবার রাতে কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের নিজ বাড়িতে জাহিদুলকে একদল দুর্বৃত্ত পিটিয়ে গুরুতর জখম করে রেখে পালিয়ে যায়। পরে তার বাড়ির সদস্যরা উদ্ধার করে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করলে সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয়। নিহত জাহিদুল ইসলাম কচুয়া উপজেলার শিবপুর গ্রামের এস এম আবু বক্করের ছেলে।

অন্যদিকে, যশোরের শার্শায় নিখোঁজের চার দিন পর স্টিলের বাক্সের মধ্যে মিলল এক ভ্যানচালকের অর্ধগলিত লাশ। গতকাল মঙ্গলবার সকালে উপজেলার নাভারণ কাজীরবেড় গ্রামের একটি পরিত্যক্ত বাড়ি থেকে তার লাশটি উদ্ধার করে পুলিশ। নিহত ভ্যানচালকের নাম আব্দুল্লাহ (২৫)। তিনি পার্শ্ববর্তী গাতীপাড়া গ্রামের ইউনুস আলীর ছেলে।  

শার্শা থানার ওসি আব্দুল আলিম বলেন, গতকাল মঙ্গলবার সকালে ঘটনাস্থল থেকে এক ভ্যানচালকের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য লাশ যশোর জেনারেল হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনার সঙ্গে যারা জড়িত তাদের গ্রেপ্তারের জন্য পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।