চুয়াডাঙ্গায় বিষাক্ত মদে ৭জনের মৃত্যু: ৪জনের মরদেহ উত্তোলন

​চুয়াডাঙ্গা সদর উপজেলার ডিঙ্গেদহ এলাকায় বিষাক্ত মদপানে সাতজনের মৃত্যুর ঘটনায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনার সত্যতা যাচাই ও কারণ জানতে মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) আদালতের নির্দেশে চারজনের মরদেহ কবর থেকে উত্তোলন করা হয়েছে। নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট নুরুল হুদা মনিরের উপস্থিতিতে ময়নাতদন্তের জন্য  মরদেহগুলো উত্তোলন করা হয়।

জানা যায়, গত ৯ অক্টোবর দিবাগত রাতে ডিঙ্গেদহ বাজার এলাকায় কয়েকজন বিষাক্ত অ্যালকোহল পান করেন। এরপর একে একে সবাই অসুস্থ হয়ে পড়েন এবং বিভিন্ন সময়ে সাতজনের মৃত্যু হয়। এদের মধ্যে চারজনকে গোপনে দাফন করে ফেলেছিল পরিবার।

​পুলিশের তদন্তে বেরিয়ে এসেছে, এই মৃত্যুর সঙ্গে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিষাক্ত স্পিরিটের যোগসূত্র রয়েছে। পুলিশ এই ঘটনায় মূলহোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে এবং তাদের কাছ থেকে ১১৭ বোতল মেয়াদোত্তীর্ণ স্পিরিট উদ্ধার করেছে।

গ্রেপ্তারকৃত মূল আসামি ফারুক আহমেদ ওরফে ‘এ্যালকো ফারুক’ জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছে, সে লাইসেন্স ছাড়াই হোমিও চিকিৎসার নামে দীর্ঘদিন ধরে মেয়াদোত্তীর্ণ অ্যালকোহল বিক্রি ও সরবরাহ করত। 
পুলিশের ধারণা, তার সরবরাহ করা এই বিষাক্ত স্পিরিট পান করেই সাতজনের মৃত্যু হয়েছে।

​প্রশাসন জানিয়েছে, জনস্বার্থে এ ধরনের অপরাধ দমনে চুয়াডাঙ্গা জেলা পুলিশ কঠোর অবস্থানে রয়েছে।