প্রায় তিন মাস পর রাঙ্গামাটির পর্যটনের আইকন ঝুলন্ত সেতুর পাটাতন থেকে পানি সরে যাওয়ায় সেটি দৃশ্যমান হয়েছে। বৃষ্টি কমে আসায় কাপ্তাই হ্রদে পানি কমতে থাকায় অবশেষে ৮৬ দিন পর সেতুর পাটাতন থেকে পানি সরে গেছে। এতে আবারী পর্যটকদের পদচারণায় মুখর হয়ে উঠছে ঝুলন্ত সেতু। গতকাল বৃহস্পতিবার সকাল থেকে ঝুলন্ত সেতুতে পর্যটকদের হাঁটতে দেখা গেছে।
পর্যটন কর্র্তৃপক্ষ সূত্র জানায়, ৭০ দশকের শেষের দিকে রাঙ্গামাটি জেলাকে পর্যটন এলাকা হিসেবে ঘোষণা করা হয়। ১৯৮৬ সালে পর্যটন করপোরেশন পর্যটকদের সুবিধার্থে দুই পাহাড়ের মাঝখানে তৈরি করে এই আকর্ষণীয় ঝুলন্ত সেতুটি। প্রতিবছর অসংখ্য পর্যটক সেতুটি দেখতে ভিড় করেন। সেতুর পূর্ব ও পশ্চিম দিকে ছোট-বড় সবুজ পাহাড়। অন্যদিকে স্বচ্ছ পানি। তবে কাপ্তাই হ্রদে পানি বৃদ্ধির কারণে প্রতিবছর সেতুটি নির্দিষ্ট একটা সময় বৃষ্টি ও উজানের ঢলে হ্রদের পানিতে ডুবে থাকে। এ বছর হ্রদের পানি বেড়ে যাওয়ায় গত ২৯ জুলাই ডুবে যায় সেতুটি। সেতু ডুবে যাওয়ায় পর্যটক চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেয় পর্যটন কর্র্তৃপক্ষ। এ সময় অনেক দর্শনার্থী ভ্রমণে এসে আইকনিক এই সেতুতে ঘুরতে না পেরে হতাশা নিয়ে ফিরে যায়।
রাঙ্গামাটি পর্যটন হলিডে কমপ্লেক্সের ব্যবস্থাপক আলোক বিকাশ চাকমা বলেন, ‘প্রায় তিন মাস পর সেতু থেকে পানি সরে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে পরিষ্কারের কাজ শেষ করা হয়েছে। কিছু সংস্কারের কাজ করতে হবে। সামনেই পর্যটন মৌসুম, আশা করছি, গত তিন মাসের ক্ষতি সামনে কিছুটা পুষিয়ে নিতে পারব।’