জাতীয় লিগের প্রথম দিন চার ম্যাচে চার সেঞ্চুরি হয়েছে। এবারের আসরের প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন জাতীয় দলের মাহমুদুল হাসান জয়। তার সঙ্গে চট্টগ্রামের ইয়াসির রাব্বিও সেঞ্চুরি করেছেন। তরুণ আরিফুল ইসলাম তার ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি করেছেন, যা নবাগত ময়মনসিংহের জন্যও প্রথম। বাকি সেঞ্চুরিটা ঢাকা বিভাগের মার্শাল আইয়ুবের।
সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে টস জিতে নবাগত ময়মনসিংহকে ব্যাটিঙে আমন্ত্রণ জানান সিলেটের অধিনায়ক জাকির হাসান। ২১ রানের মধ্যে দুই পেসার খালিদ আহমেদ ও এবাদত হোসেন মিলে ৩ উইকেট তুলে নিলে বিপর্যয়ে পড়ে ময়মনসিংহ। সেখান থেকে আব্দুল মজিদের সাথে ১২৭ রানের জুটি গড়েন আরিফুল। ৬৫ রান করা মজিদ রানআউটে কাটা পড়লেও, তাহিবুল ইসলামকে নিয়ে আবার জুটি গড়েন আরিফুল। ২০৮ বলে ১০ বাউন্ডারিে ১০১ রান করার পর আউট হয়েছেন তিনি।
সিলেট অ্যাকাডেমি মাঠে আগে ব্যাট করতে নামা ঢাকা বিভাগের হয়ে জিশান আলম ও মার্শাল আইয়ুব ১৫৮ রানের জুটি গড়েছেন চতুর্থ উইকেটে। ঢাকার ২২১ রানের ১৭৬ রানই করেছেন দুজনে। জিশান করেন ১০৮ বলে ৭১। আর মার্শাল ক্যারিয়ার ২৭তম সেঞ্চুরি করে আউট হয়েছেন ১০৫ রানে। ২২৭ মিনিটে ১৬১ বলের ইনিংসে ১৩টি চার মারেন তিনি। রংপুরের আবু হাশিম ৩, মেহেদী হাসান ও নাসির হোসেন দুটি করে উইকেট নেন।
রাজশাহীতে হয়েছে দিনের সবচেয়ে বড়ো ইনিংস। রাজশাহীর আমন্ত্রণের আগে ব্যাট করতে নেমে ৮২.৩ ওভারে ৪০১ রান করেছে চট্টগ্রাম। ৬৮ রানের মধ্যে সাদিকুর রহমান, মুমিনুল হক ও শাহাদত হোসেন দীপু আউট হয়ে গেলেও জয় আর রাব্বি সেঞ্চুরি করে দল বড়ো স্কোরে নিয়ে যান। ১২৩ রানের জুটি গড়েন দুজনে। এরপর রাব্বি ইরফান শুক্কুরের সঙ্গে পঞ্চম উইকেটে তোলেন ৭০ রান। জয় পঞ্চম সেঞ্চুরির ইনিংসে ১৬৫ বলে ১৫ বাউন্ডারি ও দুই ছক্কায় করেছেন ১২৭। রাব্বি ১৩৮ বলের ইনিংসে ১০ বাউন্ডারি ও ৬ ছক্কায় করেন ১২৯। শুক্কুর ৬৩ বলে ১২ বাউন্ডারিতে তুলেছেন ৭২ রান। তাইজুল ইসলাম নিয়েছেন ৪ উইকেট।
খুলনায় বরিশালের বিপক্ষে টস জিতে ব্যাট করতে নেমে স্বাগতিক খুলনা ৯ উইকেটে তুলেছে ৩১২ রান। এনামুল হক বিজয় (৩০) ও সৌম্য সরকার (৩৭) উদ্বোধনী জুটিতে এনে দেন ৫৯ রান। এরপর অমিত মজুমদার (৬) ও আফিফ হোসেন (রুয়েল মিয়ার প্রথম বলে আউট) দ্রুত আউট হয়ে যাওয়ার পর ইমরানুজ্জামান ও নাহিদুল ইসলাম দলকে টেনে তোলার চেষ্টা করেন। ১৫০ রানের মধ্যে ৬ উইকেট পতনের পর অধিনায়ক জিয়াউর রহমান শেখ পারভেজন হোসেন জীবনকে নিয়ে ভালো একটা স্কোরে নিয়ে গেছেন দলকে। জিয়া ৯১ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৪ ছক্কায় করেন ৬৯। জীবন ৯১ বলে ৫ বাউন্ডারি ও ৫ ছক্কায় ৭১ রান করে অপরাজিত রয়েছেন। ৩টি করে উইকট নিয়েছেন মঈন খান ও রুয়েল মিয়া।