২০০৫ সালের জানুয়ারিতে বিসিবি একাদশের হয়ে জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে চট্টগ্রামে তিন দিনের ম্যাচ দিয়ে শুরু করেছিলেন শামসুর রহমান শুভ। শাহরিয়ার নাফিজের সঙ্গে উদ্বোধন করতে নেমে দুই ইনিংসে করেছিলেন ১৩ আর ৬।
২০১৪ সালে টেস্ট অভিষেক হয়েছিল। চট্টগ্রামে দ্বিতীয় টেস্টেই শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে করেছিলেন সেঞ্চুরি। কিন্তু টেস্ট ক্যারিয়ারটা এগোয়নি বেশি। ওই বছরই ৬ টেস্টে ৩০৫ রান করার পর থেমে যেতে হয়।
শুভ তবুও খেলে গেছেন প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট। মঙ্গলবার রাজশাহীতে তা শেষ হচ্ছে। আজ সোমবার শেষ বারের মতো ব্যাট করতে নেমেছিলেন বরিশালের হয়ে। প্রথম ইনিংসের ১১'র পর দ্বিতীয় ইনিংসে করেছেন ১৭। তোফায়েলের বলে আউট হওয়ার পর মাঠ ছাড়ার সময় গার্ড অব অনার পেয়েছেন শুভ।
আর কয়েকটা ম্যাচ খেললে ১০ হাজার রান করা হতো শুভর। তবে আগে থেকেই ঘোষণা দিয়ে রেখেছিলেন এটাই হবে তার শেষ ম্যাচ।
১৬০ ম্যাচে ৩৬ গড়ে ৯৬০২ রান নিয়ে শেষ করলেন শুভ। ২৩টি সেঞ্চুরির সবোর্চ্চটা ২৬৭ রানের। এছাড়া ফিফটি করেছেন ৪৬টি। ১৩৪টা ক্যাচও ধরেছেন।
শেষ ইনিংসটির পর সামাজিক মাধ্যমে তার প্রতিক্রিয়ায় মিশে থাকল মিশ্র অনুভূতির ছোঁয়া, 'আজকে প্রথম শ্রেণির ক্রিকেটে শেষ ইনিংসটি খেললাম। জানি না কতটা অর্জন করতে পেরেছি, তবে সবসময় চেষ্টা করেছি নিজের প্রতি সৎ থাকতে। জানি, আর কখনও সাদা পোশাক গায়ে চাপিয়ে খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামতে পারব না। একজন খেলোয়াড়ের জন্য মুহূর্তটি বেদনাদায়ক। সবাই আমার জন্য দোয়া করবেন।'
মুগ্ধ-ইকবালে খুলনাকে হারিয়ে জাতীয় লিগ শিরোপার দ্বারপ্রান্তে রংপুর 