ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে ব্রহ্মপুত্র নদীতে গোসল করতে নেমে দুই মামাতো-ফুফাতো ভাই নিখোঁজ হওয়ার পর একজনকে উদ্ধার করেছে স্থানীয়রা। নদীতে নিখোঁজ হওয়া অপর এক ভাইকে উদ্ধারে ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিসের একটি ডুবুরি দল তিন ঘণ্টা অভিযান চালালেও হদিস মেলেনি তার। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন স্থানীয় ইউপি সদস্য দুলাল মিয়া।
আজ (২৫ অক্টোবর) শনিবার আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে উপজেলার উচাখিলা ইউনিয়নের মরিচারচর নামাপাড়া এলাকায় ব্রহ্মপুত্র নদীতে গোসল নেমে এ ঘটনা ঘটে।
জীবিত উদ্ধার হওয়া শিশুটির নাম নুরুউদ্দিন (৭)। শিশুটি ওই গ্রামের মোতাহার হোসেনের ছেলে। নুরুউদ্দিন স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়াশোনা করে। নিখোঁজ অপর শিশু নুরুউদ্দিনের ফুফাতো ভাই একই গ্রামের খোকন মিয়ায় ছেলে হাবিব (৪)।
উদ্ধার হওয়া শিশু নুরুউদ্দিনের চাচা বিল্লাল হোসেন বলেন, ‘আমার সাত বছর বয়সী ভাতিজা নুরুউদ্দিন ও তার এক ফুফাতো ভাইকে নিয়ে নদীতে গোসল করতে নেমে স্রোতের ঘুর্ণিতে ডুবে যায়। এসয়ম স্থানীয় এক জেলে নুরুউদ্দিনকে ডুবুডুবু অবস্থায় দেখে উদ্ধার করে। কিন্তু বেড়াতে আসা তার ফুফাতো ভাইকে খোঁজে পাওয়া যায়নি। পরে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে তারা এসে উদ্ধার অভিযান চালালেও খোঁজ পাওয়া যায়নি।’
নিখোঁজ হওয়া শিশুটি উদ্ধারে নেতৃত্বে দেন ময়মনসিংহ ফায়ারসার্ভিস স্টেশনের ডুবুরি দলনেতা মো. নূরে আলম। তিনি বলেন, নিখোঁজ হওয়া শিশুটি খোকন মিয়ার ছেলে হাবিব (৪)। দুপুর ২টা থেকে বিকাল ৫টা ১০ মিনিট পর্যন্ত তিন ঘণ্টার বেশি সময় অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। ধারণা করা যাচ্ছে, নদীর স্রোতে শিশুটিকে দুরে নিয়ে গেছে।
ঈশ্বরগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার রাম প্রসাদ পাল বলেন, দুপুর ১টা ২২ মিনিটের দিকে নদীতে নিখোঁজ হওয়া শিশু উদ্ধারের জন্য আমাদের কাছে কল আসে। ঈশ্বরগঞ্জ ফায়ারসার্ভিস স্টেশনে ডুবুরি দল না থাকায় বিষয়টি আমি তৎক্ষণাৎ ময়মনসিংহ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনকে অবহিত করি। দুপুর ২টার দিকে ডুবুরি দল উদ্ধার অভিযানের কাজ শুরু করে। কিন্তু নদীতে প্রচুর স্রোত থাকার কারণে শিশুটিকে উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। শিশুটি
এ বিষয়ে ঈশ্বরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ওবায়দুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশের একটি টিম পাঠানো হয়।