টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে তার নেতৃত্ব ব্যাপক প্রশংসিত হয়েছে। তার নেতৃত্বে সর্বশেষ ৪টি টি-টোয়েন্টি সিরিজে জিতেছে বাংলাদেশ। আগামীকাল সোমবার থেকে চট্টগ্রামে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে শুরু হতে যাচ্ছে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজ। সেই সিরিজপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে এসে লিটন বুঝিয়ে দিলেন, টেস্ট অধিনায়ক হওয়ার আগ্রহ আছে তার।
এখন পর্যন্ত তিন সংস্করণেই বাংলাদেশ জাতীয় দলকে নেতৃত্ব দিয়েছেন লিটন কুমার দাস। গত জুনে শ্রীলঙ্কা সিরিজের পর টেস্ট অধিনায়কত্ব ছেড়ে দেন নাজমুল হোসেন শান্ত। এরপর থেকে এখনো টেস্টের অধিনায়ক নির্বাচন করা হয়নি। আগামী মাসে আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে দুই ম্যাচ টেস্ট সিরিজের আগেই অধিনায়ক খুঁজে নেবে বিসিবি। ওয়ানডেতে মিরাজের নেতৃত্ব প্রশ্নবিদ্ধ হওয়ায় টেস্ট অধিনায়কত্বের ব্যাপারে লিটন আলোচনায় আছেন।
আজ রবিবার চট্টগ্রামে সংবাদ সম্মেলনে টেস্ট অধিনায়কত্ব নিয়ে লিটন বলেছেন, ‘এখন পর্যন্ত এ বিষয়ে নিয়ে আমি কিছু জানি না। তারা যদি যোগ্য মনে করে, অবশ্যই তারা আমার সঙ্গে কথা বলবে। দেখা যাক, কী সিদ্ধান্ত হয়। খেলোয়াড় হিসেবে আপনি যখন খেলবেন, টেস্ট ক্রিকেটে অধিনায়কত্ব (আপনার কাছে) অনেক বড় পাওয়া। আমার মনে হয় না কেউ “না” করবে। কিন্তু তাঁদের (বিসিবি) পক্ষ থেকে এখনো কিছু বলা হয়নি।’
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে সাকিব আল হাসান চোট পাওয়ায় ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক হিসেবে আফগানিস্তানের বিপক্ষে একটি ম্যাচে নেতৃত্ব দেন লিটন। সেই ম্যাচে বাংলাদেশ রেকর্ড ৫৪৬ রানে জয় পায়। তারপর অবশ্য নাজমুল হোসেন শান্তকে অধিনায়ক করা হয়। তখন বলা হয়েছিল, লিটন নাকি নেতৃত্ব নিতে রাজী নন। লিটনের জন্য আপাতত চ্যালেঞ্জটা টি-টোয়েন্টিতে। আগামী বছরের ফেব্রুয়ারিতে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আগে খেলতে হবে ৬টি টি-টোয়েন্টি।
সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সিরিজ নিয়ে, ‘সত্য কথা বলতে আমি দুইটা সিরিজে চাই আমাদের খেলোয়াড়রা যেন খুব চ্যালেঞ্জের মুখে পড়ে। সেটা ব্যাটিংয়ে হতে পারে, বোলিংয়ে হতে পারে। আমি চাই যে, এই ছয়টা ম্যাচ থেকে আমরা যতটা পিছিয়ে থাকব, ততটাই ভালো। পিছিয়ে থাকার মানে ম্যাচে না, চ্যালেঞ্জের কথা বলছি। আমি চাই যে, বোলাররা যখন বল করবে, তারা যেন চাপের মধ্যে থাকে। যে জিনিসগুলো ভবিষ্যতে আমাদের অনেকটাই সাহায্য করবে।’