জাতীয় ক্রিকেট লিগের (এনসিএল) এবারের আসরে প্রথম দল হিসেবে আড়াই দিনেই জয় তুলে নেয় খুলনা। জয়ের মঞ্চ তৈরি করে অপেক্ষায় ছিল চট্টগ্রাম। চতুর্থ দিনে এসে রাজশাহীকে ১১২ রানে হারিয়েছে শাহাদাত হোসেন দিপুর দল। প্রথম রাউন্ডের বাকি দুটি ম্যাচ ড্র হয়েছে।
রাজশাহীতে ৪ উইকেটে ২১৯ রান নিয়ে চতুর্থ দিনে ব্যাট করতে নামে স্বাগতিকরা, তাদের সামনে জয়ের লক্ষ্য ছিল আরো ২৬৪ রানের, অর্থাৎ দ্বিতীয় ইনিংসে ৪৮২ রান করতে হতো তাদের। কিন্তু আর মাত্র ১৫১ রানই যোগ করতেই বাকি ৬ উইকেট হারিয়ে অলআউট হয় ৩৭০ রানে। দুই ইনিংসেই ব্যাট হাতে উজ্জল ছিলেন চট্টগ্রামের ইয়াসির আলী চৌধুরী রাব্বি। ১২৯ ও ৯২ রানের ইনিংস উপহার দেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতেছেন তিনি। ম্যাচটা চতুর্থ দিনের অনেকটা সময়ে গড়িয়েছে, সব মিলিয়ে ২৮৯ ওভার খেলা হয়েছে আর রান হয়েছে ৪ ইনিংস মিলিয়ে ১২৪৪ আর উইকেট পতন ৩৯, সব মিলিয়ে ভাল একটা ম্যাচই হয়েছে রাজশাহীতে যে প্রতিদ্বন্দিতাটা দেশের টেস্ট ক্রিকেট সামর্থ্য বাড়ানোর জন্য অতি জরুরী।
সিলেট আন্তর্জাতিক স্টেডিয়ামে ড্র হয়েছে নবগাত ময়মনসিংহের সাথে সিলেটের ম্যাচ। দ্বিতীয় ইনিংসে ময়মনসিংহ ৯ উইকেটে ২৭২ রান করে, সিলেট দ্বিতীয় ইনিংস ব্যাটিংয়ের সুযোগই পায়নি। প্রথম ইনিংসে সেঞ্চুরির পর দ্বিতীয় ইনিংসে ৬২ রান করেছেন আরিফুল ইসলাম। সিলেট আবার ব্যাটিং না পাওয়াতে ৯৯তম টেস্টের আগে আরেকটু লাল বলে খেলা হল না মুশফিকুর রহিমের। সিলেটের একাডেমি মাঠে পৌনে পাঁচটায় খেলা থামিয়ে দেয়া হয় আলোকস্বল্পতার কারণে, ড্র মেনে নেয় দুই দল রংপুর ও ঢাকা। দ্বিতীয় ইনিংসে ১১৫ রান তুলতেই ৬ উইকেট হারিয়েছিল রংপুর। খেলা না থামলে আরো ৪ উইকেট তুলে নিলে জিততে পারত ঢাকা, ৮১ রান করলে জিতে যেত রংপুর। তবে আলোর অভাবে দুই দলকে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে পয়েন্ট ভাগাভাগি করে।
১ নভেম্বর মাঠে গড়াবে দ্বিতীয় রাউন্ড। সিলেট থেকে যাবে নিজ শহরেই, এখানে আউটার স্টেডিয়ামে সিলেট খেলবে ঢাকার বিপক্ষে। ময়মনসিংহের গন্তব্য কক্সবাজার, সেখানে তারা খেলবে রংপুরের বিপক্ষে। কক্সবাজারে আরেক মাঠে খেলবে চট্টগ্রাম ও বরিশাল। ঢাকার মিরপুরের শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে মুখোমুখি রাজশাহী ও খুলনা।