নারায়ণগঞ্জের আদালত প্রাঙ্গণে শিশু সন্তানদের সামনে বাবা-মাকে মারধরের ঘটনায় নারায়ণগঞ্জ মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খানের বিরুদ্ধে অবশেষে মামলা নিয়েছে ফতুল্লা থানা-পুলিশ।
মঙ্গলবার রাতে নয়জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাত আরও ১২ জনকে মামলায় আসামি করা হয় । মামলার বিষয়টি বুধবার (২৯ অক্টোবর) বিকেলে নিশ্চিত করেন পুলিশ সুপার (এসপি) মো. জসিম উদ্দিন।
মামলায় আসামি হিসেবে যাদের নাম উল্লেখ করা হয়েছে তারা হলেন, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেন খান, ইসমাইল, হিরন, শাহালম, টিটু, রাসেল ব্যাপারী, অ্যাডভোকেট খোরশেদ আলম, আলামিন শাহা এবং বিল্লাল হোসেন।
পুলিশ সুপার বলেন, পুলিশ তদন্ত করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। এর আগে পুলিশ হামলার ঘটনায় মামলা নিতে চাইছিল না বলে অভিযোগ করে আসছিলেন মামলার বাদী ও ভুক্তভোগী রাজিয়া সুলতানা। মামলায় মহানগর বিএনপির আহ্বায়কের নাম অন্তর্ভুক্ত করতে থানার গেটে অবস্থান কর্মসূচিও পালন করেছিলেন তিনি।
বাদী রাজিয়া সুলতানা বলেন, ‘বুধবার থানা থেকে আমাকে ফোন করে জানানো হয়েছে, মামলাটি নেওয়া হয়েছে। আমরা এ ঘটনায় জড়িতদের সুষ্ঠু বিচার দাবি করছি।’
তিনি আরও বলেন, ‘আদালতে হাজিরা দিতে গেলে অ্যাডভোকেট সাখাওয়াত হোসেনের নির্দেশে তার মুহুরি জুনিয়ররা মিলে আমাদের ওপর হামলা করে। তারা আমাকে ও আমার স্বামীকে মারধর করে এবং আমার শ্লীলতাহানি করে। আমার জামাকাপড় ছিঁড়ে ফেলেছে। আমার শিশুসন্তানকে মারধর করেছে।’
প্রসঙ্গত, গত ২৬ অক্টোবর মামলার শুনানিতে যাওয়ার সময় নারায়ণগঞ্জ জেলা ও দায়রা জজ আদালত চত্বরে রাজিয়া সুলতানা নামের এক নারী, তার স্বামী ও সন্তানদের ওপর হামলার ঘটনা ঘটে।