৬ অক্টোবর বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালনা-পর্ষদে নির্বাচনে অনেক পরিবর্তন হয়েছে। একমাত্র আমিনুল ইসলাম বুলবুলই ফের সভাপতি হয়েছেন। ফারুক আহমেদ, খালেদ মাসুদ পাইলট, আবদুর রাজ্জাকের মতো সাবেক ক্রিকেটাররা নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব নিয়েছেন বোর্ডের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কমিটির। দেশের ক্রিকেটের স্বার্থে সংগীতশিল্পী, সাবেক ক্রিকেটার আসিফ আকবর এটাকে ইতিবাচক দিক হিসেবে দেখছেন।
যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশে এসে আজই মিরপুরে হোম অব ক্রিকেটে এসেছিলেন আসিফ আকবর। তিন নিজে পেয়েছেন বিসিবির বয়সভিত্তিক টুর্নামেন্ট কমিটার দায়িত্ব। বয়সভিত্তিক দল নিয়ে কাজ করতে কী উদ্দীপনা কাজ করছে—এ ব্যাপারে কথা বলতে গিয়ে নিজের গানের ক্যারিয়ারের কথা উল্লেখ করেছেন আসিফ আকবর। মিরপুরে সাংবাদিকদের আলাপ কালে তিনি বলেন, ‘বাচ্চাদের ব্যাপারটা কী? বাচ্চারা দেশের ভবিষ্যৎ। আর জ্যেষ্ঠ নাগরিকেরা একটা অভিজ্ঞতা নিয়ে চলে গেছেন বা এখনো আছেন। আপনারা যদি আমার গানের ক্যারিয়ার দেখেন, বাংলাদেশের সব তরুণ গায়ক-গায়িকা-পরিচালকদের সঙ্গে কাজ করে এসেছি। তরুণদের সঙ্গে থাকাটা মূলত নিজের তারুণ্য ধরে রাখা।’
বয়সভিত্তিক দলে কাজ করেই দেশের ক্রিকেটের পাইপলাইন শক্তিশালী করতে চান ২২ বছর পর মিরপুর ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আসা আসিফ আকবর, ‘বাচ্চারা খেলবে। আজকের বাচ্চারা ভবিষ্যতে বড় ক্রিকেটার হবে। বয়সভিত্তিক দলে কাজ যারা করেন, তারা ভবিষ্যতের ক্রিকেটার তৈরি করবেন। সেখানে আমাদের বর্তমান ক্রিকেটার, ভবিষ্যৎ প্রজন্ম থাকবে যাতে পাইপলাইনে মাত্র একজন ক্রিকেটার না থাকে। একটা স্থানের জন্য চার-পাঁচ ক্রিকেটার না থাকলে হবে না। বয়সভিত্তিক পর্যায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ। ভালো একটা কাজ পেলাম। বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য দরকার।’
আমিনুল ইসলাম বুলবুল প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে আসিফ বলেন, ‘অনেক বড় ক্রিকেটার বুলবুল ভাই। আমি অনেক ছোট। আমি ভাগ্যবান যে বুলবুল ভাইয়ের সঙ্গে একটা সময়. . প্রতিপক্ষ হিসেবে খেলেছি। বুলবুল ভাইকে দেখার সুযোগ হয়েছে ছোটবেলা থেকে। তখন আমি ক্লাস টেন-ইলেভেনে পড়ি। নান্নু ভাই কিংবা ফারুক ভাইকে দেখার সুযোগ হয়েছে ছোটবেলা থেকে। পক্ষে ছিলেন হাবিবুল বাশার সুমন, জাভেদ ওমর বেলিম, শাহরিয়ার হোসেন বিদ্যুৎ, জাকারিয়া, জাহাঙ্গীর।’
সাবেক ক্রিকেটাররা বিসিবিতে আসায় দেশের ক্রিকেটে অনেক উন্নতি হবে বলে মনে করেন আসিফ আকবর, ‘বুলবুল ভাইয়ের সঙ্গে কথা হয়েছে আমার। এখন তো বোর্ডে ক্রিকেটাররা আসছে। রাজ্জাক, পাইলট এসেছে। ট্যাকটিকাল দিকগুলো উন্নত হবে। আমলাতান্ত্রিক জটিলতা থেকে বের হয়ে ক্রিকেটাররা বোর্ডে আসছে। যারা সংগঠক, ক্লাব কিংবা বিভাগীয় পর্যায়ে কাজ করেন, আমি মনে করছি নতুন একটা জোয়ার তৈরি হবে। সংগঠকেরাই তো আসল। তারা অর্থনৈতিক ব্যাপারে সাপোর্ট দেবেন। অনেকে মাঠ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। তাদের মাঠমুখী করার চেষ্টা থাকবে অবশ্যই।’