আইপিএলের মতো বিপিএলে নিলাম পদ্ধতি চায় নতুন ফ্র্যাঞ্চাইজিরা

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগে দল পেতে আগ্রহী ১১ প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে আজ আলোচনায় বসেছিল বিপিএলের গভর্নিং কাউন্সিল। সেখানে সম্ভাব্য ফ্র্যাঞ্চাইজিরা বিপিএলে নিলাম পদ্ধতি ফিরিয়ে আনার দাবি জানিয়েছে। এমনটাই নিশ্চিত করেছেন বিপিএল গভর্নিং কাউন্সিলের সদস্য সচিব ইফতেখার রহমান মিঠু।

রাজধানীর একটি হোটেলে মিটিং শেষে মিঠু সংবাদিকদের বলেছেন, 'আজকে এটা (বিপিএলে নিলাম) নিয়ে আলোচনা হয়েছে। আমরা এখন পরবর্তী বিপিএলের সভায় এটা নিয়ে আরও কথা বলব। ১৫ নভেম্বরের পর প্লেয়ার্স ড্রাফট, তো আমাদের তো সময় আছে। এটা নিয়ে আমরা আলোচনা করে যেটা ভালো হয় লিগের জন্য সেটা করা হবে।'

বিপিএলে ২০১২ ও ২০১৩ সালের প্রথম ও দ্বিতীয় আসরে খেলোয়াড় বাছাই হয়েছিল নিলামের মাধ্যমে। ২০১৫ সাল থেকে চালু হয় ড্রাফট পদ্ধতি, যা এখন পর্যন্ত বহাল আছে। তবে ফ্র্যাঞ্চাইজিগুলোর দাবি, নিলাম ব্যবস্থা ফিরলে বড় তারকাদের দলে টানার প্রতিযোগিতা বাড়বে এবং লিগের আকর্ষণও বাড়বে।

এদিকে, গত বিপিএলে ফিক্সিংয়ে অভিযুক্তদের ড্রাফটেই আগেই শাস্তি দেবে বলে জানিয়েছে বিসিবি। কদিন আগে স্বাধীন তদন্ত কমিটির দেয়া প্রায় ৯০০ পাতার প্রতিবেদন হাতে পেয়েছে বিসিবি। সেই প্রতিবেদন তুলে দেয়া হয়েছে বিসিবির ইন্টিগ্রিটি ইউনিটের প্রধান অ্যালেক্স মার্শালকে। তিনিই এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন। এমনকি কোন অপরাধি কী শাস্তি পাবেন সেই ব্যাপারটিও দেখবেন তিনি। বিসিবির সহ-সভাপতি শাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, 'অ্যালেক্স মার্শাল যে চার্জ ফ্রেম করবে সেটার উপর ভিত্তি করেই আমরা তাদের খেলতে দিব না। আমরা চাচ্ছি ড্রাফটের আগেই এটা পেতে। সুতরাং একটা টাইমলাইন আছে।'

বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের বরাতে জানা গেছে তদন্তে বিপিএলে খেলা বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারের নাম উঠে এসেছে। তারা অনেকেই খেলেছেন সর্বশেষ এনসিএল টি-টোয়েন্টিতে। এই ক্রিকেটাররা আসন্ন বিপিএলে অংশ নিতে পারবেন কিনা তা নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। তবে বিসিবি সহ-সভাপতি নিশ্চিত করেছেন ড্রাফটের আগে সেই ক্রিকেটারদের তালিকা হাতে পেলে তাদের নাম রাখা হবে না ড্রাফটে।

তিনি এই প্রসঙ্গে বলেছেন, 'ড্রাফটের আগে যদি নাম (ফিক্সিংয়ে অভিযুক্তদের) পাই তাহলে ড্রাফটে তাদের নাম থাকবে না। একটা কথা মনে রাখবেন শুধু খেলোয়াড় না কিন্তু, সাংবাদিকও আছে, ম্যানেজমেন্টও আছে।'