মাত্র তিন বছর আগেও নিজের জায়গা নিয়ে সন্দেহ ছিল ফিবি লিচফিল্ডের। ক্যারিয়ারের শুরুতে তার প্রায়ই মনে হতো—‘আমি কি সত্যিই এখানে থাকার যোগ্য?' এই রোগটাকে বলা হয় ইমপোস্টার সিনড্রোম।
আজ সেই লিচফিল্ডই অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের নতুন অধ্যায় লিখলেন। —নারী ওয়ানডে বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে ভারতের বিপক্ষে করলেন রেকর্ড গতিতে সেঞ্চুরি। ৭৭ বলে সেঞ্চুরি বিশ্বকাপের নকআউট পর্বে দ্রুততম।
মাত্র ২২ বছর বয়সী এই বাঁহাতি ওপেনারের ইনিংসে ছিল ১৮টি চার ও এক ছক্কা। অধিনায়ক অ্যালিসা হিলি দ্রুত আউট হওয়ার পর অস্ট্রেলিয়ার ইনিংস পুনর্গঠন করতে গিয়ে এই সেঞ্চুরি করেন লিচফিল্ড। এলিস পেরির সঙ্গে গড়েন তিনি শতরানের জুটি।
এই মঞ্চটা লিচফিল্ডের জন্য চক্রপূরণ। কারণ, তিন বছর আগে এই ডি ওয়াই পাতিল স্টেডিয়ামেই অস্ট্রেলিয়ার জার্সি গায়ে প্রথমবার নামেন নেমেছিলেন তিনি। সেখানেই গড়লেন সেঞ্চুরি।
ইমপোস্টার সিনডোমে ভোগা নিয়ে লিচফিল্ড বলেছিলেন, 'শুরুর দিকে কিছুটা আত্মবিশ্বাস ছিল, কিন্তু মাঝে মাঝেই মনে হতো আমি হয়তো জায়গাটা প্রাপ্য না। এখনো আমি শিখছি, ভুল হলে নিজেকে একটু ক্রেডিট দিই। কিন্তু এখন অনেক বেশি স্বচ্ছন্দ বোধ করি। দলের সঙ্গে সময় কাটাতে কাটাতে এই আত্মবিশ্বাসটাই বেড়েছে।'
২২ বছর পর মিরপুরে এসে আসিফ আকবর বললেন, 'ভালো একটা কাজ পেলাম'