বিপ্লব উদ্যান পুরোপুরি রক্ষা করা যায়নি

অধ্যাপক মুহাম্মদ সিকান্দার খান

উপাচার্য, ইস্ট-ডেল্টা ইউনিভার্সিটি

ডা. শাহাদাত মেয়র হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর অনেক কাজ করেছেন। জনতার মেয়র হিসেবে তিনি এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে দৌড়াদৌড়ি করেছেন। তবে এখন কেমন যেন পার্টির মধ্যে বন্দি হয়ে যাচ্ছেন। হয়তো এককভাবে তিনি আর কত করবেন? পথ চলতে গিয়ে হয়তো কারও কাছ থেকে সাপোর্ট পাচ্ছেন না।

একসময় সার্কিট হাউজের সামনের জায়গাটিকে উন্মুক্ত রাখার জন্য পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের ব্যানারে তিনি আমাদের সঙ্গে আন্দোলনে শামিল হয়েছিলেন। কিন্তু সময়ের ব্যবধানে তিনি হয়তো আর পেরে ওঠেননি। একইভাবে চট্টগ্রামের ষোলশহরের বিপ্লব উদ্যান রক্ষায়ও তিনি কার্যকর কিছু করতে পারেননি। নামে উদ্যান আছে কিন্তু বাস্তবে আর উদ্যান নেই। এখানে দোকানপাট এমনভাবে গড়ে তোলা হয়েছে, এখন এটি বাণিজ্যিক উদ্যান হয়ে গেছে। এই উদ্যানটির ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে এবং সিডিএর মাস্টারপ্ল্যানেও তা রক্ষার কথা বলা হয়েছে। একটি নগরীর পরিপূর্ণ বিকাশের জন্য টিমওয়ার্ক হিসেবে কাজ করতে হয়। ডা. শাহাদাত হয়তো সেই টিম পাচ্ছেন না। এই নগরীর ফুটপাতগুলো চলাচলের অনুপযোগী। পথচারীবান্ধব ফুটপাত আমরা কবে পাব?