শেরপুরের নকলা উপজেলার কবুতরমারি গ্রামের হানিফ উদ্দিন উরফে হানি মিয়ার পুত্র মারুফকে পিটিয়ে হত্যা করেছে প্রতিবেশী দুর্বৃত্তরা।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) বিকালে দলীয় নমিনেশন আনন্দ মিছিলে ২৬নং কবুতরমারি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে নিহত মারুফের সঙ্গে একই এলাকার শাহজামালের কথা কাটাকাটিসহ হাতাহাতি হয়। পরে মিছিল শেষে রাত ৯টার দিকে মারুফ বাড়ি ফেরার পথে আ. সাত্তারের চায়ের দোকান পার হলে ওতপেতে থাকা অজ্ঞাতনামা ৬ জন মিলে মারুফকে বেধড়ক পিটিয়ে হত্যা করে।
প্রত্যক্ষদর্শী জাবুল শেকের পুত্র আ. সুবাহান (৬৬) দিলেন লৌহ মোর্ষক বলেন, আমি এবং আলমাছ আলী নামের এক লোক মারামারি ফিরাইতে গেলে আমাদেরকেও মেরে ফেলার হুমকি দিলে আমরা চলে আসি। রাতের অন্ধকারে আমি অনেককেই চিনতে পারিনি। আমরা মূর্খ মানুষ, ফোন না থাকায় থানায় ফোন দিতে পারিনি। পরে স্থানীয় একজন দলীয় নেতা রাত ১টার দিকে রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় পড়ে থাকা লাশ দেখে থানায় ফোন দিলে নকলা থানা পুলিশ গিয়ে অদ্য রাত ২টার দিকে লাশ উদ্ধার করে নকলা থানায় নিয়ে আসে।
মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) নিহত মারুফের বাবা হানিফ উদ্দিন উরফে হানি মিয়া বাদী হয়ে নকলা থানায় মামলা দায়ের করেন। এরপর থেকেই আসামি ধরতে অভিযান চালিয়েছে পুলিশ। বেলা ২টার দিকে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে শেরপুরের পুলিশ সুপার মো. আমিনুল ইসলাম।
নিহত মারুফের বাবা হানিফ উদ্দিন উরফে হানি মিয়া বলেন, আমার একটি মাত্র সন্তান ছিল, তাকে যারা পিটিয়ে হত্যা করেছে তাদের বিচার দাবি করছি।
নকলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাবিবুর রহমান বলেন, ময়নাতদন্তের জন্য লাশ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো ও হত্যা মামলা রুজু হয়েছে। আসামি ধরতে আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।