শৈলকুপা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি শামিম হোসেন মোল্লাকে প্রথমে ডিবি পরিচয়ে অপহরণ করা হয় গত ১৩ জুলাই। এরপর তারা বাবার কাছে ৫০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। তখন পুলিশ তাকে উদ্ধার করলেও ফের বুধবার (৫ নভেম্বর) তাকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
বুধবার বিকালে ঝিনাইদহ শহরের এলজিইডি অফিস চত্বরে একদল যুবক তার ওপর চড়াও হয় এবং কিল-ঘুষি মেরে রক্তাক্ত করে। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে উদ্ধার করে ঝিনাইদহ থানায় নিয়ে আসে।
প্রত্যাক্ষদর্শী মনোয়ার হোসেন জানান, অফিস থেকে বের হওয়ার পর জুলাইযোদ্ধারা তাকে মারধর করে পুলিশে সোপর্দ করে। শামিম হোসেন মোল্লা আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে টেন্ডারবাজি, সরকারি সম্পদ দখল ও ত্রাস সৃষ্টি করে আতঙ্কিত জনপদ গড়ে তোলেন।
পুলিশ জানায়, এর আগে গত ১৩ জুলাই ডিবি পরিচয়ে শামিমকে অপহরণ করা হয়। অপহরণের পর তাকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় তখন চারজনকে আটকও করে পুলিশ।
ঘটনার দিন শামীম মোল্লা শৈলকুপার গাড়াগঞ্জ বাজার এলাকার মহেশপুর এলপিজি গ্যাস পাম্পে বসে ছিলেন। এ সময় নিজেদের ডিবি পুলিশ পরিচয় দিয়ে একদল দুর্বৃত্ত দুইটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায় এবং তার পিতা ইউপি চেয়ারম্যান সাব্দার হোসেন মোল্যার নিকট ৫০ লাখ টাকা দাবি করে।
ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি আব্দুল্লাহ আল মামুন খবর জানান, শামিম হোসেন মোল্লাকে বুধবার বিকালে মারধর করা হয়। খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে পুলিশ। তার নামে ঝিনাইদহ সদর থানায় কোন মামলা নেই। তাকে শৈলকুপা থানায় সোপর্দ করা হয়েছে।