কদিন আগেই দেশের জার্সিতে প্রথম গোলের দেখা পেয়েছিলেন ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো জুনিয়র। এবার পেলেন প্রথম আন্তর্জাতিক শিরোপার স্বাদ। তুরস্কে অনুষ্ঠিত ফেডারেশন কাপের ফাইনালে ইংল্যান্ডকে ২-১ ব্যবধানে হারিয়ে শিরোপা জিতেছে পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৬ দল, যার অংশ ছিলেন রোনালদো-পুত্র।
ফাইনালের শেষ বাঁশি বাজতেই ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়র দৌড়ে যান গ্যালারিতে, যেখানে ছিলেন তার মা জর্জিনা রদ্রিগেজ। প্রবল উচ্ছ্বাসে জর্জিনা তাকে জড়িয়ে ধরেন। এই দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়লে উচ্ছাসে ফেটে পড়েন দর্শকরা। সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইরাল হয়। পরবর্তীতে সোশ্যাল মিডিয়ায় জর্জিনা লেখেন, ‘মা হতে পেরে আমি গর্বিত। আমার ছেলেকে নিয়ে আমি ভীষণ খুশি।’
তুরস্কের বিপক্ষে পর্তুগাল অনূর্ধ্ব-১৬ দলের হয়ে ক্রিশ্চিয়ানো জুনিয়রের অভিষেক হয়। শুরু থেকেই ছিলেন আত্মবিশ্বাসী ও আক্রমণাত্মক। ওয়েলসের বিরুদ্ধে ৩-০ গোলের জয়ে পর্তুগালের দ্বিতীয় গোলটি করেন। ফাইনালে ইংল্যান্ডের বিপক্ষে দ্বিতীয়ার্ধে নেমে দলের উপহার দেন কার্যকর ফুটবল। এদিন জোড়া গোল করে পর্তুগালের জয়ের নায়ক রাফায়েল কাবরাল।
২০১৬ সাল থেকে রোনালদো জুনিয়রের জীবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন জর্জিনা রদ্রিগেজ। অন্যদিকে বাবা ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো এখনো ক্যারিয়ার শেষ অধ্যায়ে সৌদি আরবে খেলে চলেছেন, তবে তিনি ছেলের প্রতি অতিরিক্ত চাপ না দিয়ে স্বাভাবিক উন্নতির সুযোগ দিয়ে যাচ্ছেন। ছেলে তার মতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা পছন্দ করলেও ছেলেকে নিজের নামের ভারে ভারাক্রান্ত হতে দেন না রোনালদো।
রোনালদো জুনিয়র ইতোমধ্যে খেলেছেন রিয়াল মাদ্রিদ, জুভেন্টাস ও বর্তমানে আল-নাসর একাডেমিতে। এর আগে ক্রোয়েশিয়ার ভ্লাতকো মার্কোভিচ টুর্নামেন্টেও পর্তুগালের অনূর্ধ্ব-১৫ দলের হয়ে জ্বলে উঠেছিলেন, ফাইনালে দুই গোল করে দলকে শিরোপা জেতান। ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো যখন ক্যারিয়ারের শেষ সময়ে আছেন, তখনই আন্তর্জাতিক মঞ্চে নিজেকে জানান দিচ্ছেন তার পুত্র।