আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আগামীকাল বৃহস্পতিবার আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে সাজার রায়ের দিন ঘোষণা করবে। এর বিরোধিতা করে ও প্রতিবাদ জানিয়ে ওইদিন ‘ঢাকা লাকডাউন’ কর্মসূচি ঘোষণা করেছে শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন দলটি। কয়েক দিন ধরেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা দলটির পক্ষ থেকে ঢাকাসহ বিভিন্ন জায়গায় ‘ঝটিকা মিছিল’ হয়েছে। ফেসবুকসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও দিনটি ঘিরে চলছে নানা প্রচার-অপপ্রচার। এর মধ্যে ঢাকাসহ ৪৮ ঘণ্টায় অসংখ্য ককটেল বিস্ফোরণ ও বাসে আগুনের ঘটনা সাধারণ মানুষের আতঙ্ক বাড়িয়েছে।
১৩ তারিখ তারিখ ঘিরে কোনো আশঙ্কা নেই বলে পুলিশ জানালেও অন্তর্বর্তী সরকার আওয়ামী লীগের ঘোষিত কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে কঠোর অবস্থান গ্রহণ করেছে। ঢাকার প্রবেশমুখগুলোয় বাড়ানো হয়েছে পুলিশের তল্লাশি। দেশের সব বিমানবন্দরে জারি করা হয়েছে সতর্কতা।
বিএনপি-জামায়াতসহ সরকারপক্ষীয় বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও আওয়ামী লীগের কর্মসূচি প্রতিহত করতে মাঠে থাকার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ওইদিন দেশের গুরুত্বপূর্ণ স্থানে অবস্থান কর্মসূচি পালন করার ঘোষণা দিয়েছে জুলাই ঐক্য।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১৩ নভেম্বর কর্মসূচি ঘোষণা উপলক্ষে সাজার রায়ের দিন ধার্যের প্রতিবাদে হলেও এর পেছনে মূলত আলোচনায় আসার কৌশল রয়েছে দলটির। আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতা ও বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, এখনই এ কর্মসূচি সফল হবে, এটি মনে করেন না তারা। তবে অন্তর্বর্তী সরকারসহ তাদের পক্ষীয় সবাই আওয়ামী লীগের ঘোষিত লকডাউন কর্মসূচি নিয়ে ভীষণ ব্যতিব্যস্ত করে তোলার পরিকল্পনা এটি।
লকডাউন কর্মসূচি ঘিরে সবাইকে ব্যস্ত রাখতে পেরেছে দাবি করে দলীয় বিভিন্ন সূত্র জানায়, ১৩ নভেম্বরের আওয়ামী লীগের কর্মসূচি আগেই সফল হয়ে গেছে।
দেশত্যাগ করা আওয়ামী লীগের একাধিক কেন্দ্রীয় নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, আওয়ামী লীগের ওপর কর্মসূচি ঘোষণা করার বিদেশি চাপও আছে। তা ছাড়া, দেশের সাধারণ মানুষসহ দলের কর্মী-সমর্থকদের প্রতিক্রিয়াও দেখতে চান তারা। এ কর্মসূচি থেকে অভিজ্ঞতা নিয়ে আগামীর রাজনৈতিক কর্মকৌশল গ্রহণ করেন আওয়ামী লীগের নীতিনির্ধারকরা।
দেশের বাইরে থাকা এক নেতা বলেন, ‘আমরা ধরেই নিয়েছি এ কর্মসূচি ব্যর্থ হবে। দেশে থাকা কর্মী-সমর্থকরা তেমন সুযোগ পাবেন না। সরকারি বাধার মুখে পড়বেন তারা। হামলা-মামলা, মারামারি ও গ্রেপ্তার হবেন। মারমুখী অবস্থানে থাকবে সরকারের বিভিন্ন বাহিনীসহ জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের পক্ষের শক্তিগুলো। সরকারের এই দমননীতির ভিডিও ধারণ করে আন্তর্জাতিক মহলে তা তুলে ধরে বিদেশি নেক নজরে পড়তেও এ কর্মসূচি হাতে নিয়েছে আওয়ামী লীগ। পাশাপাশি কর্মী-সমর্থকদের শক্তি-সামর্থ্য সম্পর্কে ওয়াকিবহাল থাকতে চায় ক্ষমতাহারা দলটি।
এদিকে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা লে. জেনারেল (অব.) মো. জাহাঙ্গীর আলম চৌধুরী বলেছেন, ‘কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ১৩ নভেম্বর “ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচি ঘিরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী শক্ত অবস্থানে রয়েছে। ওইদিন পরিস্থিতি স্বাভাবিক থাকবে।’
গতকাল সচিবালয়ে আইনশৃঙ্খলা-সংক্রান্ত উপদেষ্টা পরিষদ কমিটির বৈঠক শেষে তিনি আরও বলেন, ‘সন্ত্রাসীদের কোনো ধরনের ছাড় দেওয়া হবে না।’ তিনি জানান, নাশকতামূলক ঘটনা ও অঘটন ঠেকাতে রাস্তার পাশে জ্বালানি তেল বিক্রি সাময়িকভাবে বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছে সরকার। সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে যানবাহনে আগুন দেওয়ার ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা রাস্তার পাশে জ্বালানি তেল বিক্রি বন্ধের সিদ্ধান্তের কথা জানান। তিনি বলেন, ‘রাস্তার পাশে তেল বিক্রি কিছুদিনের জন্য বন্ধ থাকবে। এই তেল দিয়ে অনেক সময় বিভিন্ন ধরনের অঘটন ঘটিয়ে ফেলে।’ তিনি ইঙ্গিত দেন, এই তেল ব্যবহার করেই নাশকতামূলক অগ্নিকাণ্ড ঘটানো হচ্ছে।
এদিকে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাদ আলী বলেন, কিছুদিন ধরেই কার্যক্রম নিষিদ্ধ একটি দল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অপপ্রচার ছড়িয়ে দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতির চেষ্টায় লিপ্ত। সে প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে সম্প্রতি তাদের নেতাকর্মীরা দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজধানীতে জড়ো হয়ে ঝটিকা মিছিলের আয়োজন করছেন এবং ককটেল বিস্ফোরণসহ বিভিন্ন যানবাহনে অগ্নিসংযোগের মাধ্যমে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করছেন। ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ তাদের এই অপতৎপরতা রোধে সচেষ্ট রয়েছে।
তিনি জানান, গত ১ অক্টোবর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত এসব অপকর্মের সঙ্গে জড়িত ৫৫২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
তিনি আরও জানান, গত ১ নভেম্বর থেকে ১১ নভেম্বর পর্যন্ত ভিন্ন ভিন্ন স্থানে ১৫টি ১৭টি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে এবং দুদিনে ৯টি যানবাহনে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনায় এ পর্যন্ত ১৭টি মামলা করা হয়েছে এবং এসব ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অপরাধে ২৪ ঘণ্টায় ৫০ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। দুদিনেই সোমবার ভোর থেকে মঙ্গলবার ভোর পর্যন্ত ২০টি ককটেল বিস্ফোরণ ও চারটি বাসে অগ্নিসংযোগ করে দুর্বৃত্তরা। এসব নাশকতার ঘটনায় ঢাকাবাসী সরকারের দেওয়া আশ্বাসে আশ্বস্ত হতে পারছে না।
আওয়ামী লীগের কর্মসূচি প্রসঙ্গে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি সন্ত্রাসী দল। তাদের আর এ দেশের মানুষ ক্ষমা করবে না। ভারতে বসে এ দেশে সন্ত্রাসী দিয়ে গাড়ি পোড়াবে, দেশের সম্পদ নষ্ট করবে আর বাংলাদেশে ফিরে আসবে? তাদের আমরা আসতে দিতে পারি না। সাহস থাকলে আসো, জনগণের সামনে আসো। খালেদা জিয়া জেলে ছিলেন ছয় বছর। আপনি (শেখ হাসিনা) আসেন, জেলে থাকেন সাত-আট বছর।’
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেন, ‘১৩ নভেম্বর সামনে রেখে আওয়ামী লীগ এক ধরনের বিশৃঙ্খলা এবং সন্ত্রাসী কার্যক্রম করার চেষ্টা করছে। বাসে আগুন দিয়েছে। একজনকে হাতেনাতে ধরা হয়েছে ডেমরা এলাকায়, তার বাড়ি গোপালগঞ্জে। এ ছাড়া ময়মনসিংহে একজন বাসচালককে ঘুমন্ত অবস্থায় আগুনে পুড়িয়ে মেরেছে। সবগুলো নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগের কাজ। এই কার্যক্রমের মাধ্যমে আওয়ামী লীগ প্রমাণ করেছে কেন তাদের নিষিদ্ধ করা হয়েছে। আওয়ামী লীগ টেররিস্ট দল।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে আওয়ামী লীগ। ফ্যাসিস্ট এই রাজনৈতিক দলটি দেশে জ্বালাও-পোড়াও চালিয়ে প্রমাণ করছে তাদের নেশাই সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড।
আগামীকাল কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের লকডাউন কর্মসূচি প্রতিহতের ঘোষণা দিয়েছেন খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক। গতকাল রাজধানীর পুরানা পল্টন মোড়ে পাঁচ দাবিতে আটটি রাজনৈতিক দলের সমাবেশে তিনি আরও বলেন, ১৩ নভেম্বর কোনো বাকশালপন্থিকে বাংলার রাজপথে নামতে দেব না। যদি কেউ নামার অপচেষ্টা চালায়, আমরা তাদের রাজপথে মোকাবিলা করব ইনশাআল্লাহ।
জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল গোলাম পরওয়ার বলেন, ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের জন্য ঐকমত্য তৈরি হওয়ার মুহূর্তে একটি মহল ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। ১৩ নভেম্বর নতুন নাশকতার পরিকল্পনার বিষয়ে সরকারকে সতর্ক করে তিনি বলেন, আজকের এই সমাবেশ দিল্লির ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধেও এক প্রতিবাদ। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে উদ্দেশ্য করে পরওয়ার আরও বলেন, ‘আমরা শুনছি, বিভিন্ন হোটেলে সন্ত্রাসীরা অবস্থান নিয়েছে। আপনারা অবিলম্বে অভিযান চালিয়ে ফ্যাসিস্ট ও তাদের দোসরদের গ্রেপ্তার করুন। মানবতাবিরোধী অপরাধী ও খুনিদের বিচারের দাবিকে সমর্থন জানিয়ে তিনি আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার প্রক্রিয়া অব্যাহত রাখার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, নভেম্বরে কয়েকজন অপরাধীর রায় ঘোষণার সম্ভাবনা তৈরি হওয়ায় ফ্যাসিস্ট চক্র নতুন করে নাশকতার ষড়যন্ত্র করছে।
‘ঢাকা লকডাউন’ কর্মসূচিকে ঘিরে শাহজালালসহ দেশের সব বিমানবন্দরে বিশেষ সতর্কতা ব্যবস্থা নিতে কর্র্তৃপক্ষকে নির্দেশ দিয়েছে নিয়ন্ত্রক সংস্থা বেসামরিক বিমান চলাচল কর্র্তৃপক্ষ (বেবিচক)। গতকাল বেবিচকের সদর দপ্তর থেকে এ-সংক্রান্ত চিঠি বিমানবন্দরগুলোতে পাঠানো হয়েছে।
সাম্প্রতিক সময়ে শাহজালাল বিমানবন্দরের কার্গো হাউজে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর থেকেই বিমানবন্দরগুলোতে অতিরিক্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। এবার এর পাশাপাশি বাড়তি সতর্কতার নির্দেশনা দিয়েছে সংস্থাটি।
চিঠিতে বলা হয়, সব বিমানবন্দরে সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি বিমানবন্দর এলাকায় সব ধরনের টহল বৃদ্ধি এবং মনিটরিং ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করা হয়েছে। সম্ভাব্য যেকোনো অনাকাক্সিক্ষত পরিস্থিতি মোকাবিলায় তাৎক্ষণিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় প্রস্তুতিও রাখা হয়েছে।
এ ছাড়া সব বিমানবন্দরে সর্বোচ্চসংখ্যক নিরাপত্তাকর্মী মোতায়েনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। সার্বিক ফায়ার সার্ভেল্যান্স কার্যক্রম আরও জোরদার করা হয়েছে, যাতে জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত সাড়া দেওয়া সম্ভব হয়।
বেবিচকের সহকারী পরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মাদ কাউছার মাহমুদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। জনস্বার্থে সবাইকে সচেতন থাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানানো হয়েছে।’
এদিকে রাষ্ট্রকে অস্থিতিশীল করতে পতিত ফ্যাসিবাদী আওয়ামী লীগ ও তার দোসরদের দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে জাতীয় প্রতিরোধ এবং তাদের বিরুদ্ধে সরকারের কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে ঢাকা, জাহাঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ। পাশাপাশি চলমান পরিস্থিতিতে আওয়ামী দুর্বৃত্তপনার বিরুদ্ধে সরকারকে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণের দাবি জানিয়েছে তারা। গতকাল মঙ্গলবার ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম, জাকসু ভিপি আব্দুর রশিদ জিতু, রাকসু ভিপি মোস্তাকুর রহমান জাহিদ এবং চাকসুর ভিপি ইব্রাহিম হোসেন রনি স্বাক্ষরিত এক যৌথ বিবৃতিতে এ দাবি জানানো হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, বাংলাদেশের ছাত্র-জনতা-শ্রমিকসহ মুক্তিকামী জনগণ ঐতিহাসিক জুলাই বিপ্লবের মাধ্যমে ১৮ বছরের দুঃসহ ফ্যাসিবাদী শাসন থেকে জাতিকে মুক্ত করেছে। সহস্র শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত এই নতুন বাংলাদেশ যখন ফ্যাসিবাদ ও ফ্যাসিবাদী কাঠামোর চিরস্থায়ী বিলুপ্তির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, ঠিক তখনই বিতাড়িত ফ্যাসিস্ট, গণহত্যাকারী এবং সন্ত্রাসী সংগঠন আওয়ামী লীগ ও তাদের দোসররা দেশ এবং জাতির বিরুদ্ধে এক গভীর চক্রান্তে লিপ্ত হয়েছে।
ছাত্র সংসদগুলোর নেতারা বলেন, প্রায় দুই হাজার শহীদের রক্তের বিনিময়ে অর্জিত জুলাই বিপ্লবের সুরক্ষা নিশ্চিত করা অন্তর্বর্তী সরকারের অন্যতম মৌলিক দায়িত্ব। ফ্যাসিস্ট ও সন্ত্রাসী গোষ্ঠী কর্র্তৃক দেশ জুড়ে নাশকতা, চোরাগোপ্তা হামলা, অগ্নিকা-, ককটেল বিস্ফোরণ এবং বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে হামলার ষড়যন্ত্র দৃশ্যমান হলেও সন্ত্রাসীদের মূলোৎপাটনে সরকার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর তৎপরতা সন্তোষজনক নয়।