রাজধানীতে জাতীয় ঈদগাঁহ মাঠের পাশ থেকে ড্রাম ভর্তি উদ্ধার হওয়া আশরাফুল হকের (৪২) মরদেহের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে।
শুক্রবার (১৪ নভেম্বর) বিকেলে ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে ময়নাতদন্ত করেন ঢাকা মেডিকেল কলেজের ফরেনসিন মেডিসিন বিভাগের প্রভাষক ডা. দীপিকা রায়।
এর আগে মরদেহের সুরতহাল রিপোর্ট তৈরি করেন শাবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মাজিবুল আলম।
এদিকে, মর্গে নিহতের বোন আনজিরা বেগম বলেন, আশরাফুল গ্রামের বাড়িতে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন। স্ত্রী লাকি বেগম ও দুই সন্তানকে নিয়ে গ্রামের বাড়িতে থাকতেন আশরাফুল। গত মঙ্গলবার এলাকার বন্ধু জরেজ মিয়ার সঙ্গে ঢাকা আসেন তিনি। নারায়ণগঞ্জে এক ব্যক্তির কাছে পাওনা টাকা আনতে যাওয়ার কথা ছিল।
তিনি আরও বলেন, আশরাফুলের স্ত্রী লাকী গত বুধবার থেকে স্বামীর ফোনে বারবার যোগাযোগের চেষ্টা করেছেন। তবে ফোন ধরে জরেজ মিয়া জানাতেন, আশরাফুল বিভিন্ন কাজে ব্যস্ত। এজন্য ফোনটি জরেজ মিয়ার কাছে। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে স্ত্রী লাকী তার ভাইকে নিয়ে বদরগঞ্জ থানায় গিয়ে জানতে পারেন ঢাকায় ড্রাম ভর্তি থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার হইছে। সেই মরদেহ তার স্বামীর কিনা খোঁজ নিতে।
আনজিরা বেগম আরও জানান, তিনি (আনজিরা) বাড্ডা এলাকায় থাকেন। শুক্রবার ফেসবুকে আশরাফুলের একটি ছবি দেখতে পান তারা। সাথে সাথে শাহবাগ থানায় যান। সেখানে গিয়ে তার ভাই আশরাফুলের খণ্ডিত মরদেহ দেখতে পান। আশরাফুরের বন্ধু জরেজকে ধরলে সবকিছু পরিষ্কার হয়ে যাবে।