নাসির উদ্দিন চৌধুরী
ট্রাস্টি বোর্ডের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান চট্টগ্রাম বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি
চট্টগ্রামে ৩০০ পোশাক কারখানার জন্য দক্ষ মানবসম্পদ প্রয়োজন। কিন্তু এই মানবসম্পদ আমরা কোথায় পাব? তাই দক্ষ মানবসম্পদ তৈরির জন্য ২০১৩ সালে বিজিএমইএ একটি ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠা করে। জাতীয় বিবিদ্যালয়ের অধীনে চার বছরের অনার্স কোর্সের মাধ্যমে সেই ইনস্টিটিউটে আমাদের গার্মেন্টসগুলোর চাহিদা অনুযায়ী কারিকুলাম তৈরি করতে পারিনি। এতে আমাদের উপযোগী মানবসম্পদ তৈরি করতে সমস্যা হচ্ছিল। আর তখন থেকেই চিন্তায় ছিলাম চট্টগ্রামে এই সেক্টরে একটি বিবিদ্যালয় গড়ে তোলার। এরই ধারাবাহিকতায় ২০২২ সালে আমরা ‘চট্টগ্রাম বিজিএমইএ ইউনিভার্সিটি অব ফ্যাশন অ্যান্ড টেকনোলজি’ নামে পৃথক একটি বিবিদ্যালয়ের অনুমোদন পাই। ২০২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে আমরা শিক্ষার্থী ভর্তি শুরু করেছি। আমাদের এখানে চার বছর মেয়াদি ফ্যাশন ডিজাইন, এপারেল মার্চেন্ডাইজিং অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট, টেক্সটাইল অ্যান্ড ক্লথিং টেকনোলজি, ফ্যাশন ডিজাইন অ্যান্ড টেকনোলজি, বিবিএ কোর্সে হিউমেন রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট, সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্ট, এন্টারপ্রিনিউরশিপ রয়েছে। এ ছাড়া এপারেল মার্চেন্ডাইজিং নিয়ে এমবিএ কোর্সসহ কর্মক্ষেত্রের উপযোগী বিষয়গুলো যুক্ত করা হয়েছে। এতে শিক্ষার্থীরা যেমন পড়ালেখা শেষে যে বিষয়ে পড়ালেখা করেছেন, সে বিষয়ধর্মী চাকরি পাবেন। তেমনিভাবে শিল্প-কারখানাগুলোও দক্ষ মানবসম্পদ পাবে।
তবে দেশে এই শিক্ষাকে আরো যুগোপযুগী করতে প্রাথমিকের পর ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের কর্মমুখী শিক্ষার দিকে ধাবিত করা গেলে তাদের জনসম্পদে রূপান্তর করা যেত। বিবিদ্যালয় থেকে বের হতো দক্ষ প্রশাসক ও ঝরে পড়া এসব শিক্ষার্থী হতেন দক্ষ কর্মী। আর উভয়ের সম্মিলনে এগিয়ে যেত আমাদের অর্থনৈতিক উন্নয়ন।