দেশ রূপান্তর : ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষত্ব কী? এমন কী বৈশিষ্ট্য আছে, যে কারণে এ বিশ্ববিদ্যালয়কে অন্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তুলনামূলকভাবে ভালো হিসেবে বিবেচনা করা যেতে পারে?
ড. শামস রহমান : বাংলাদেশে সরকারি-বেসরকারি মিলিয়ে ১৬০-এর অধিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। তারমধ্যে আমরা কটার নাম জানি? এতগুলো বিশ্ববিদ্যালয়ের মাঝেও আমরা নিজেদের অবস্থান করতে পেরেছি। তার কারণ, কিউএস র্যাংকিংয়ে আমরা অবস্থান তৈরি করতে পেরেছি। দেশের ৯০ শতাংশ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আমরা মানের দিক থেকে ভিন্ন। আমরা ভিন্ন কারণ ও কৌশলগত দিক থেকে নিজেদের ব্যতিক্রম রাখার চেষ্টা করি। এই অভিন্নতার মাধ্যমে আমরা প্রতিযোগিতার মধ্যে থাকতে চাই। যেমন শিক্ষক নিয়োগ, কারিকুলাম প্রণয়নে আমরা ভিন্নতা রাখি। অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক শিক্ষার্থী রয়েছে, তার মানে এই না যে, তাদের চাহিদা রয়েছে। এর মানে এমন না আমাদেরও এত শিক্ষার্থী নিতে হবে। আমরা ভিন্ন কিছু করে জাতীয় ক্ষেত্রে গ্যাপ ও প্রয়োজনীয়তা বিবেচনায় কারিকুলাম সাজিয়ে থাকি। উদাহরণস্বরূপ, সবাই ল ডিগ্রি দিয়ে থাকে। কিন্তু এখন সাইবার সিকিউরিটির সমস্যা নিরসনে সাইবার সিকিউরিটি আইন নিয়ে পড়াশোনা কম। তাই আমরা সাইবার সিকিউরিটি অ্যান্ড ল চালু করেছি। আমার জানামতে, এই বিষয় বাংলাদেশে সেভাবে কেউ শুরু করেনি। পরিবেশ আইন নিয়েও কেউ সেভাবে স্পেশালাইজ করে না, এক্ষেত্রে আমরা চেষ্টা করছি। বর্তমানে টেকনোলজির উন্নয়নে এআই নিয়ে কনসার্ন রয়েছে। আমরা এআই ও মেশিন লার্নিং নিয়ে ইউজিসি থেকে এপ্রুভাল এনেছি। দ্রুতই এই প্রোগ্রাম আমরা চালু করব।
তা ছাড়া আমরা শিক্ষক নিয়োগে শুধু একাডেমিক রেজাল্ট ভালো হলেই নিয়োগ দেই এমন না, একজন অনার্স-মাস্টার্সে প্রথম হতে পারে বলে এই না যে, আমাদের তাকেই নিতে হবে। আমরা রেজাল্টের পাশাপাশি তার শিক্ষকতার মনোভাব, আগ্রহ সম্পর্কে দেখি। নবীনদের বিভিন্ন প্রক্রিয়ায় বাছাই করে নিয়োগ দিয়ে থাকি, যা অন্যদের থেকে আলাদা।
আমরা শিক্ষার্থীদের সাপ্লাই চেইনের ওপর নজর দিই। এর মানে আমরা শিক্ষার্থীদের বাজারজাত করতে চাই। একদিকে আমরা সুশিক্ষিত নাগরিক গড়তে চাই, অন্যদিকে তাদের ইন্ডাস্ট্রি গ্র্যাজুয়েট হিসেবে গড়তে চাই। এভাবেই আমরা ভিন্নভাবে এগোতে চাই এবং আমরা এর সুফলও পেয়েছি, ভবিষ্যতেও পাবো বলে আমরা আশাবাদী।
দেশ রূপান্তর : শিক্ষার্থী ভর্তির সময় মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফল ছাড়া আর কী বিবেচনায় নেওয়া হয়?
ড. শামস রহমান : আমরা শিক্ষার্থীদের একটি কঠোর ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে থাকি। শুধু এসএসসি বা এইচএসসি ফলাফল দেখেই আমরা ভর্তি করাই না। তা ছাড়া যেদিন পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, সেদিনই আমরা ফল প্রকাশ করি যাতে কেউ হস্তক্ষেপ করতে না পারে। বিভিন্ন ফ্যাকাল্টিতে ভিন্ন ভিন্ন পরীক্ষা নেওয়া হয়। এখানে শুধু একাডেমিক দক্ষতা নয়, শিক্ষার্থীদের লেখার দক্ষতাও যাচাই করা হয়। আমরা শুধু শিক্ষার্থী ভর্তি করি না, যারা খুব ভালো ফল করে তাদের বৃত্তিও প্রদান করি।
দেশ রূপান্তর : শিক্ষক নিয়োগের সময় আপনারা কী কী বিবেচনা করে থাকেন?
ড. শামস রহমান : শিক্ষক নিয়োগে আমরা কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করি। এখানে আমরা শুধু রেজাল্ট নয়, বরং প্রার্থীর স্কিল এবং শিক্ষকতায় উপযুক্ততা যাচাই করি। শিক্ষকতা অন্যান্য পেশা থেকে ভিন্ন। এখানে ডেডিকেশন প্রয়োজন-ক্লাসে তিনি কতটা ভালোভাবে বোঝাতে পারেন, তা গুরুত্ব পায়। ভালো ছাত্র হলেই সে ভালো শিক্ষক হবে এমন নয়।
কেউ আবেদন করলে তা প্রথমে ডিপার্টমেন্টে পাঠানো হয়। সেখানে ‘ডিপার্টমেন্ট ডেভেলপমেন্ট’ কমিটি একটি শর্টলিস্ট তৈরি করে ইন্টারভিউ নেয়। তাদের প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে যোগ্যতা যাচাই করা হয়। এরপর সুপারিশটি ঊর্ধ্বতন ‘ফ্যাকাল্টি রিক্রুটমেন্ট’ কমিটিতে পাঠানো হয়, যেখানে উপাচার্য, সিনিয়র অধ্যাপকসহ বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের দক্ষ শিক্ষকরা থাকেন। এই কঠোর ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই আমরা একজন শিক্ষক নিয়োগ করি।
দেশ রূপান্তর : বিশ্ববিদ্যালয়ে বর্তমানে কত শিক্ষার্থী ও শিক্ষক আছেন? শিক্ষার্থী-শিক্ষক অনুপাত কেমন?
ড. শামস রহমান : আমাদের এখানে প্রায় ১৪ হাজার শিক্ষার্থী রয়েছে। স্থায়ী শিক্ষক আছেন প্রায় ৩৯০ জন। এ ছাড়া প্রায় ২২০ জন অ্যাডজাঙ্কট ফ্যাকাল্টি আছেন, যারা বিভিন্ন পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক বা অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। আন্তর্জাতিক মানদণ্ড অনুযায়ী ৩০ শিক্ষার্থীর বিপরীতে ১ জন শিক্ষক থাকার কথা থাকলেও, আমাদের এখানে প্রতি ২৪-২৫ জন শিক্ষার্থীর জন্য ১ জন শিক্ষক রয়েছেন। আমরা শুধু ক্লাসরুম ভর্তি করি না; বরং শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত বজায় রেখে মান ধরে রাখার চেষ্টা করি।
দেশ রূপান্তর : শিক্ষার পরিবেশ ও শিক্ষার্থী-শিক্ষক সুসম্পর্ক বজায় রাখতে কী ব্যবস্থা রয়েছে?
ড. শামস রহমান : প্রথমত, শিক্ষার মান বজায় রাখতে আমরা ভেবেচিন্তে শিক্ষক নিয়োগ করি। জুনিয়র শিক্ষক নিয়োগের পর তাদের ছয় মাসের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয় যা তাদের পড়ানোর দক্ষতা, ক্লাসরুম ম্যানেজমেন্ট ও গবেষণায় দক্ষ করে তোলে। আমরা নতুন নতুন এরিনায় পাঠ্যক্রম চালাই এবং ক্রমাগত তা উন্নত করি, যাতে ইন্ডাস্ট্রির সঙ্গে সামঞ্জস্য থাকে। আমাদের বড় গ্রন্থাগারের পাশাপাশি আধুনিক অনলাইন ডেটাবেজ রয়েছে, যাতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা গবেষণার প্রয়োজনীয় তথ্য সহজেই পান। সায়েন্স বিভাগের প্রয়োজনীয় ল্যাবগুলো আধুনিকভাবে সাজানো হয়েছে এবং নিয়মিত উন্নয়ন করা হয়।
শিক্ষক-শিক্ষার্থী সম্পর্ক উন্নয়নে আমাদের ২৩টি ক্লাব রয়েছে, প্রতিটিতে ২ জন মডারেটর থাকেন। এই ক্লাবের মাধ্যমে শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের ভালো যোগাযোগ তৈরি হয়। ফাইনাল ইয়ার ও মাস্টার্স শিক্ষার্থীদের জন্য গবেষণার সুযোগ থাকে এবং তারা শিক্ষকদের সঙ্গে গবেষণা করে আন্তর্জাতিক জার্নালে প্রকাশ করতে পারে। প্রকাশ করতে পারলে পুরস্কার দেওয়া হয় এবং বিদেশে গবেষণা উপস্থাপনের সুযোগও সৃষ্টি হয়।
এখানে ভালো শিক্ষার্থীদের চাকরির সুযোগও দেওয়া হয় যেমন এঞঅ ও টঞঅ হিসেবে কাজ করার সুযোগ, যার জন্য সম্মানী দেওয়া হয়। এর ফলে তারা উচ্চশিক্ষার অভিজ্ঞতা অর্জন করে। এর মাধ্যমে শিক্ষকদের সঙ্গে শিক্ষার্থীদের সংযোগ বারে। এ ছাড়া ক্লাসের বাইরে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর মিলন ঘটাতে বার্ষিক পিকনিক অনুষ্ঠিত হয়।
দেশ রূপান্তর : ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক মূল্যায়ন পদ্ধতি কেমন?
ড. শামস রহমান : ইস্ট ওয়েস্ট শিক্ষক নিয়োগ মানেই তারা আজীবন থাকবেন এমন নয়। নির্দিষ্ট সময় পর তাদের কন্ট্রাক্ট মূল্যায়ন করা হয়। কন্ট্রাক্ট নবায়ন ও প্রমোশনের সময় কয়েকটি বিষয় বিবেচনা করা হয়। প্রথমত, প্রতিটি সেমিস্টারে শিক্ষার্থীদের ফিডব্যাক, যা আমরা খুব গুরুত্বের সঙ্গে দেখি। কারণ শিক্ষার্থীরাই সবচেয়ে ভালো জানেন, কোন শিক্ষক ভালো পড়াতে পারেন। দ্বিতীয়ত, মানসম্মত জার্নালে গবেষণা প্রকাশ। এভাবে আমরা শিক্ষকদের দক্ষতা উন্নয়ন এবং শিক্ষার মান বজায় রাখি।
দেশ রূপান্তর : গবেষণার মাধ্যমে নতুন জ্ঞান সৃষ্টি ও গবেষক তৈরি একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। গবেষণায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা কেমন? এ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কি সফল গবেষক তৈরি হয়েছেন?
ড. শামস রহমান : বিশ্ববিদ্যালয় গবেষণা ছাড়া এগোতে পারে না। আমাদের এখানে গবেষণার জন্য ফান্ড দেওয়া হয়, যা প্রতিযোগিতার মাধ্যমে পাওয়া যায়। অনেক শিক্ষক আছেন যারা বিদেশ থেকে ফান্ড নিয়ে আসেন, যা তাদের গবেষণার মানের স্বীকৃতি। উদাহরণস্বরূপ : সম্প্রতি আমরা সরকারের ‘ঐঊঅঞ’ প্রজেক্টে উত্তীর্ণ হয়েছি এটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন। ২০২২ সালে জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগ বিল অ্যান্ড মেলিন্ডা গেটস ফাউন্ডেশন থেকে ফান্ড পেয়েছে।
তা ছাড়া আমাদের শিক্ষার্থীরা নিয়মিত ফুলব্রাইট স্কলারশিপ নিয়ে আমেরিকায় পড়তে যায়। ২০২৫ সালে আমাদের একজন ‘ইয়াং রিসার্চার অব দ্য ইয়ার’-এ ভূষিত হয়েছেন। এ ছাড়া আমাদের অনেক অধ্যাপককে ইউজিসিসহ জাতীয় পর্যায়ের কমিটিতে পরামর্শক হিসেবে ডাকা হয়। এটাও আমাদের জন্য সুনাম বয়ে আনে।
দেশ রূপান্তর : বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ কোনো গবেষণা কি আছে, যা সুনাম বয়ে এনেছে?
ড. শামস রহমান : হ্যাঁ। বিশেষত ওয়েস্ট ম্যানেজমেন্ট নিয়ে আমাদের একটি গবেষণা সরকারের তরফ থেকে বড় ফান্ড পেয়েছে যেখানে বর্জ্য থেকে ভ্যালু অ্যাডেড প্রোডাক্ট তৈরি নিয়ে কাজ চলছে। এ ছাড়া ঐঊঅঞ প্রকল্পের গবেষণাও আমাদের জাতীয়ভাবে সুনাম এনে দিয়েছে।
দেশ রূপান্তর : নিজস্ব ক্যাম্পাসে শিক্ষাদান সহজ হয়ে থাকে। ইস্ট ওয়েস্টের নিজস্ব ক্যাম্পাসের বিষয়ে ধারণা...
ড. শামস রহমান : আমাদের এই ক্যাম্পাস ২০১২ সালে প্রায় ৯ বিঘা জায়গার ওপর প্রতিষ্ঠিত। এখানে পর্যাপ্ত ক্লাসরুম, একটি বিশাল লাইব্রেরি, বড় অডিটরিয়াম ও ৫টি ছোট লেকচার থিয়েটার রয়েছে। ক্যাম্পাসের মাঝখানে একটি কোর্ট ইয়ার্ড আছে, যেখানে খেলাধুলা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও ওরিয়েন্টেশন অনুষ্ঠিত হয়। তবে প্রতি বছর ২-২.৫ হাজার শিক্ষার্থীর কনভোকেশন আমরা এখানে আয়োজন করতে পারি না। এই আয়োজন আমাদের বাইরে করতে হয়।
দেশ রূপান্তর : ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক ব্যবস্থা আছে কি?
ড. শামস রহমান : ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী বা শিক্ষকদের জন্য বর্তমানে কোনো আবাসিক ব্যবস্থা নেই। আমরা বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করছি। এর সুবিধা ও অসুবিধা খতিয়ে দেখে পরিকল্পনা প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। প্রথমে মাত্র ২ জন শিক্ষক ও ৬ জন শিক্ষার্থী নিয়ে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করেছিল, আর আজ আমরা এ পর্যায়ে। ভবিষ্যতে আরও বড় ক্যাম্পাস তৈরি করার ব্যাপারে আমরা আশাবাদী, যেখানে বড় মাঠ ও আবাসিক সুবিধা থাকবে।
দেশ রূপান্তর : বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে বেশি ফি সীমিত আয়ের পরিবারের শিক্ষার্থীদের জন্য একটি বড় বাধা। তাদের জন্য এখানে কী ব্যবস্থা আছে?
ড. শামস রহমান : আমরা বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শিক্ষার্থীদের স্কলারশিপ দিই। বছরে আয়ের ১০ শতাংশের বেশি স্কলারশিপ প্রদানে ব্যয় করা হয়। মেধাবীরা বৃত্তি পায়ই, এর পাশাপাশি মধ্যবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত শিক্ষার্থীদেরও স্কলারশিপ দেওয়া হয়। আমাদের ‘ডিস্ট্রিক্ট কোটা’ রয়েছে যার মাধ্যমে প্রতিটি জেলা থেকে একজন শিক্ষার্থীকে ফুল স্কলারশিপ দেওয়া হয়। স্কলারশিপ পাওয়া শিক্ষার্থীদের নিয়মিত মনিটরিং করা হয় যেন তারা মান বজায় রাখে।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, আমাদের টিউশন ফি অন্যান্য উচ্চমানের বিশ্ববিদ্যালয়ের তুলনায় কিছুটা কম। আমাদের মিশন স্টেটমেন্টে বলা আছে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয় ‘এফোর্ডেবল হাই কোয়ালিটি এডুকেশন’ প্রদান করবে।
দেশ রূপান্তর : আপনাকে ধন্যবাদ।
ড. শামস রহমান : দেশ রূপান্তরকেও ধন্যবাদ।
সাক্ষাৎকার নিয়েছেন দেশ রূপান্তরের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি এইচ এম খালিদ হাসান।