ইয়ামাল, রদ্রি, কারভাহাল, নিকো উইলিয়ামস যে নেই, তার মোটেই বুঝতে দেয়নি স্পেন। শনিবার তিবিলিসিতে জর্জিয়ার বিপক্ষে ৪-০ গোলের দুর্দান্ত ও একতরফা জয়ে গ্রুপ–ই থেকে সরাসরি কোয়ালিফাই করার পথ খুলে গেছে লুইস দে লা ফুয়েন্তের দলটির সামনে।
গ্রুপ–ইয়ের পাঁচ ম্যাচের সবকটিতেই জেতা স্পেন এখনো গাণিতিকভাবে বিশ্বকাপ নিশ্চিত না করলেও দ্বিতীয় স্থানের তুরস্কের পক্ষে তাদের টপকানো কার্যত অসম্ভব। বিশাল গোল পার্থক্য থাকার কারণে শেষ ম্যাচে তুরস্ককে স্পেনকে টপকাতে হলে ৭ গোলের ব্যবধানে জিততে হবে—যা প্রায় অবাস্তবই বলা যায়। তাই বলা যায় ১৩তম টানা বিশ্বকাপের টিকিট প্রায় হাতের মুঠোয় নিয়ে ফেলেছে স্পেন। মঙ্গলবার তুরস্কের বিপক্ষে ম্যাচটা কেবল আনুষ্ঠানিকতা সেরেই দেবে কি না, সেটাই এখন দেখার বিষয়। তুরস্ক রবিবার বুলগেরিয়াকে ২-০ গোলে হারিয়ে গ্রুপ রানার্স হওয়ার পথে রয়েছে।
১৬ মিনিটে পেনাল্টি থেকে মিকেল ওয়ারিয়াজাবাল গোল করে স্পেনকে এগিয়ে দেন। এটি তার জাতীয় দলে ২০তম গোল, আর দে লা ফুয়েন্তের অধীনে স্পেনের ১০০তম গোল। এরপরই মিনিট ২২–এ মার্টিন জুবিমান্দির দারুণ ফিনিশিংয়ে ব্যবধান বাড়ায় অতিথিরা।
বিরতির আগে ফেরান তোরেসকে চমৎকারভাবে গড়ে দেন ওয়ারিয়াজাবাল, আর কাছ থেকে তোরেস গোল করে ব্যবধান ৩-০ করেন। বিরতির ঠিক আগে ওয়ারিয়াজাবালের আরও এক শট ঠেকিয়ে দেন জর্জিয়া গোলরক্ষক মামারদাশভিলি।
৬৩ মিনিটে তোরেসের ক্রস থেকে হেডে নিজের দ্বিতীয় গোল করেন ওয়ারিয়াজাবাল। ম্যাচের বাকি সময়েও স্পেনের দাপট অব্যাহত থাকে।
শেষের দিকে পাউ কুবার্সির ভুলে জর্জিয়া গোল পাওয়ার কাছাকাছি গেলেও গোলপোস্টে লেগে ফিরে আসে বল। ফলে গ্রুপে এখনও কোনো গোল না খেয়ে ১৯ গোল করার নজির ধরে রাখে স্পেন।
বেলজিয়ামের সুযোগ হাতছাড়া
কাজাখস্তানের মাঠে ১-১ ড্র করে বেলজিয়াম নিশ্চিত করতে পারেনি তাদের বিশ্বকাপের টিকিট। ৯ মিনিটে দাস্তান সাতপায়েভের গোলে পিছিয়ে পড়ে বেলজিয়াম। দ্বিতীয়ার্ধে হান্স ভানাকেনের গোলে সমতায় ফিরলেও আর জেতা হয়নি।
গ্রুপ জে–তে ১৫ পয়েন্ট নিয়ে শীর্ষে আছে বেলজিয়াম। দুই পয়েন্ট পিছিয়ে উত্তর মেসিডোনিয়া ও ওয়েলস। ওয়েলস জর্ডান জেমসের একমাত্র গোলে লিখটেনস্টাইনকে হারিয়ে ফাইনালসে খেলার লড়াইয়ে টিকে আছে। মঙ্গলবার উত্তর মেসিডোনিয়ার বিপক্ষে জিতলে দ্বিতীয় স্থানে উঠে অন্তত প্লে–অফ নিশ্চিত করতে পারবে তারা।