৫০ কলেজে শর্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে না পারায় তাদের একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করেছে যশোর শিক্ষা বোর্ড।
কলেজের এ সব অধ্যক্ষরা অনলাইনে একাডেমিক স্বীকৃতি নবায়ন করার আবেদন করলে তা স্থগিত করা হয়। যশোর বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর এসএস তৌহিদুজ্জামান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
যশোর শিক্ষা বোর্ড সূত্র জানায়, বোর্ডের আওতাধীন ৫৮৬ কলেজের একাদশ শ্রেণিতে আসন ২ লাখ ২১ হাজার ৯৪। এই আসনে ভর্তি হয় ১ লাখ ২৮ হাজার ১৪৪ শিক্ষার্থী। ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে বোর্ডের ভর্তির শর্ত ছিলও প্রত্যেকটি কলেজে সর্বনিম্ন ১০ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে হবে। কিন্তু ৫০টি কলেজে ২ থেকে সর্বোচ্চ ৫ জন শিক্ষার্থী ভর্তি হয়েছে। যে কারণে স্থগিত করা হয়েছে তাদের একাডেমিক স্বীকৃতি।
বোর্ডের উপ-কলেজ পরিদর্শক মোহাম্মদ রকিবুল ইসলাম জানান, সম্প্রতি ৫০টি কলেজ কর্তৃপক্ষ একাডেমিক স্বীকৃতি নবায়ন করতে বোর্ডে অনলাইন আবেদন করেন। নবায়ন করার আগে ভর্তির তথ্য যাচাই করতে গিয়ে দেখা যায়, কলেজগুলো বোর্ডের আমাদের শর্ত অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারেনি। এ কারণে স্থগিত করা হয়েছে তাদের একাডেমিক স্বীকৃতি। পরবর্তীতে তাদের একাডেমিক কার্যক্রম বাতিল হবে কী না সে বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।
যশোর বোর্ডের কলেজ পরিদর্শক প্রফেসর এসএম তৌহিদুজ্জামান জানান, বোর্ডে শর্ত অনুযায়ী যেসব কলেজ শিক্ষার্থী ভর্তি করতে ব্যর্থ হচ্ছে, সেসব কলেজের বিরুদ্ধে শুরু করা হয়েছে এ্যাকশন। ইতিমধ্যে ২০২৪-২৫ শিক্ষাবর্ষে ৫০টি কলেজ বোর্ডের শর্ত অনুযায়ী কম শিক্ষার্থী ভর্তি করায় একাডেমিক স্বীকৃতি স্থগিত করা হয়েছে। ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির কার্যক্রম শেষ হলে একই পদক্ষেপ নেয়া হবে। যে সব কলেজে শর্ত অনুযায়ী কম শিক্ষার্থী ভর্তি হবে, ওই সব কলেজের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে শিক্ষকদের সম্মানের স্বার্থে কলেজের নাম প্রকাশ করা হচ্ছে না।