রূপালীকে মুকুট পড়িয়ে দিলেন ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ

কাবাডির এটা একটা ঐতিহ্য। কৃতি খেলোয়াড়ের বিদায়টা হয় আড়ম্বরপূর্ণ। রবিবার  রূপালী আক্তারের জাতীয় দলের আনুষ্ঠানিক অবসর নেওয়াটাও হলো তেমনি। মুকুট পড়ে রানীর মত বিশ্বকাপের মঞ্চ থেকে বিদায় নিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই খেলোয়াড়।

যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বাংলাদেশ-চাইনিজ তাইপে মধ্যে সেমিফাইনাল শুরুর আগে বিদায়ী মুকুট পড়িয়ে দিয়েছেন বাংলাদেশ অধিনায়ক রূপালীর মাথায়। বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশনের সাধারণ সম্পাদক এস এম নেওয়াজ সোহাগ হ্যাপি রিটায়ারম্যান্ট লেখা উত্তরীয় (শ্যাশে) পড়িয়ে দিয়েছেন তাকে। 

বাংলাদেশের বর্তমান দলে ২০১২ সালে প্রথম নারী কাবাডি বিশ্বকাপ খেলা একমাত্র সদস্য এই রূপালীই। ২০০৯ সাল থেকে কাবাডি খেলছেন। শুরুটা সে বছরই এশিয়ান জুনিয়র কাবাডি দিয়ে। ২০১০-এ ঘরের মাঠে খেলেছেন দক্ষিণ এশীয় গেমস। এরপরের দুটি দক্ষিণ এশীয় গেমসেও (২০১৬ ও ২০১৯) বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করেছেন জামালপুর থেকে উঠে আসা এই খেলোয়াড়।

তেমনি এশিয়ান গেমস খেলেছেন রূপালী ২০১০, ২০১৪ এবং সর্বশেষ ২০১৮ সালে। ঘরোয়া পর্যায়ে বাংলাদেশ আনসারের হয়ে সাফল্য পেয়েছেন অনেক। সেই রূপালীরই আন্তর্জাতিক পথচলা থামছে এবারের কাবাডি বিশ্বকাপ দিয়ে ১৬ বছরের বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের। শেষ আসরে বাংলাদেশ দলের অধিনায়কত্বও করছেন তিনি।

অবসরের প্রতিক্রিয়ায় রূপালী কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন সবার প্রতি, 'ফেডারেশন, সতীর্থরা যেভাবে বিদায় দিয়েছে, তাতে একটু আবেগাক্রান্ত হয়ে পড়েছিলাম ম্যাচের শুরুতে। আসলে অনেক দিন ধরে কাবাডির সাথে আছি তো, তাই। ক্যারিয়ারের কোনো কিছু নিয়ে খারাপ লাগা নেই সেরকম। প্রতিযোগিতামূলক কাবাডি আর খেলা হবে না, তবে কোনো না কোনভাবে কাবাডির সাথেই থাকব। এটা আমার ভালোবাসার জায়গা।'