শেরপুরের নকলায় ভ্রাম্যমাণ মৃত্তিকা পরীক্ষা গবেষণাগার (ব্রক্ষপুত্র) এর মাধ্যমে সার সুপারিশ কার্ড বিতরণ ও সরেজমিনে ভেজাল সার সনাক্তকরণ বিষয়ক এক দিনের কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনিস্টিউট, আঞ্চলিক গবেষণাগার জামালপুরের আয়োজনে বুধবার (২৬ নভেম্বর) দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণে মোট ৫০ জন কৃষাণ, কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।
‘মাটি পরীক্ষা করে সার প্রয়োগ করুন- অধিক ফসল ঘরে তুলুন’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা, আঞ্চলিক গবেষণাগার এসআরডিআই এর ড. মো. হাবিবুর রহমানের সভাপতিত্বে উক্ত কৃষক প্রশিক্ষণে বক্তব্য রাখেন, ময়মনসিংহের আঞ্চলিক কার্যালয়ের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সিরাজুল ইসলাম, ড. রাফেজা বেগম, আ,খ,ম মুর্শেদুর রহমান, ব্রক্ষপুত্রের সদস্য মিলন কুমার বর্মন এবং লুৎফুল হাসান।
প্রশিক্ষণে সার্বিক সহযোগিতা করেন, নকলা উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা সাগর চন্দ্র দে এবং ফারিহা ইয়াসমিন।
মুখ্য আলোচক ড. মো. হাবিবুর রহমান বলেন, মাটি পরীক্ষার বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই মৃত্তিকা গবেষণার আলোচ্য বিষয়। মাটির স্বাস্থ্য ভালো রাখা, মাটি ও পানির দূষণ রোধ করতে পারলে ফসলের ফলন ২০-২৫ ভাগ বাড়ানো সম্ভব।
ড. সিরাজুল ইসলাম বলেন, সার ব্যবস্থাপনা আইন ২০০৬ এর ১৭ (২) ধারা অনুযায়ী নিম্নমানের পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ সার এবং কোন রাসায়নিক পদার্থের উপস্থিতি যা উদ্ভিদ ও প্রাণীর জন্য ক্ষতিকর হলেও তাকে ভেজাল সার হিসেবে গণ্য করা হয়। আমাদের দেশের বাজারে প্রাপ্ত মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টস সারগুলোর বেশির ভাগই ভেজাল।
প্রশিক্ষণ চলাকালে ভেজাল সার চেনার উপায়, লক্ষণ এবং প্রক্রিয়া পদ্ধতির বিষয়ে হাতে কলমে শিক্ষা দেন প্রশিক্ষকরা।