পূর্বাচল নতুন শহর প্রকল্পে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তাঁর ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুল ১০ কাঠা করে প্লট নিয়েছেন। তবে গত বছর জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুতের পর শেখ হাসিনা ও তাঁর পরিবারের প্লট নেওয়ার ক্ষেত্রে জালিয়াতির অভিযোগ ওঠে। পরে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) অনুসন্ধানে ধরা পড়ে, শেখ হাসিনা নিজের ক্ষমতার অপব্যবহার করে মিথ্যা তথ্যে এসব প্লট বরাদ্দ নেন। এ ঘটনায় শেখ হাসিনা, ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয় ও মেয়ে সায়মা ওয়াজেদ পুতুলের বিরুদ্ধে পৃথক তিনটি মামলা করে দুদক।
এসব মামলার বিচারপ্রক্রিয়া শেষে আজ বৃহস্পতিবার রায়ের দিন ধার্য করা হয়েছে। এতে দোষী সাব্যস্ত হলে এই তিনজনের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হতে পারে।
এ বিষয়ে দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর সুলতান মাহমুদ বলেন, ‘সাক্ষীদের জবানবন্দিতে আসামিদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে। যুক্তিতর্ক উপস্থাপনে পূঙ্খানুপুঙ্খভাবে সবকিছু তুলে ধরা হয়েছে। ন্যায় বিচারের স্বার্থে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা যাবজ্জীবন কারাদণ্ড হবে বলে আশা করছি।’
আদালত ও মামলার সূত্রে জানা গেছে, গত ৩১ জুলাই ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এ শেখ হাসিনা ও তাঁর দুই সন্তানের বিচার শুরু হয়। বিচার চলাকালে আসামি শেখ হাসিনাসহ ১২ জনের মামলায় ২৯ জন, সজীব ওয়াজেদ জয়সহ ১৭ জনের মামলায় ৩২ জন এবং সায়মা ওয়াজেদ পুতুলসহ ১৮ জনের মামলায় ৩০ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ করা হয়।