হাসান মাহমুদের আগুনে বোলিং, অমিত-গালিবের সেঞ্চুরি

বিপিএল নিলামের পরদিন জাতীয় ক্রিকেট লিগে আগুন ঝরানো বোলিং করলেন হাসান মাহমুদ। তার বিধ্বংসী বোলিংয়ে মাত্র ১২৬ রানে গুটিয়ে ফলো-অনে বাধ্য হয়েছে আকবর আলি, নাসির হোসেনদের রংপুর। অন্য ম্যাচে চমৎকার ব্যাটিংয়ে ডাবল সেঞ্চুরির কাছে অমিত হাসান। দিন শেষে ১৭২ রানে অপরাজিত সিলেট বিভাগের এই ব্যাটার।

কক্সবাজার আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে ৬ উইকেটে ২৭০ রান নিয়ে দিন শুরু করে চট্টগ্রাম। জিল্লুর রহমান বিজয়ের ১১৩ রানের ইনিংসের পর শেষ দিকে হাসান মুরাদ ৩৪ ও হাসান মাহমুদ ১৯ রান করলে ৩৫০ রানে অল আউট হয় চট্টগ্রাম। 

হাসান মাহমুদ

এরপর আগুন ঝরান হাসান মাহমুদ ও ইফরান হোসেন। দুজনের তোপে মাত্র ৩৩ রানে ৮ উইকেট হারিয়ে ফেলে রংপুর। মাত্র ১৩ রানে ৫ উইকেট নেন হাসান। পরে তানবীর হায়দার ও আবু হাশিম ৮৮ রানের জুটি গড়লে একশ পেরোয় রংপুর। হাশিম ৩৯ রান করে আউট হন। তানবীর ৪৬ রানে অপরাজিত থাকেন। দুজনের চেষ্টার পরও অবশ্য ফলো-অন এড়াতে পারেনি রংপুর। সব মিলিয়ে ৩১ রানে ৫ উইকেট নেন হাসান মাহমুদ। প্রথম শ্রেণির ক্যারিয়ারে এটি তার তৃতীয় ৫ উইকেট। দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেটে ৪ রানে দ্বিতীয় দিন শেষ করে আকবরের দল

ডাবল সেঞ্চুরির অপেক্ষায় দিন শেষ করেছেন অমিত হাসান

সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে রাজশাহীর রাজশাহীর ২৩৬ রানের জবাবে খেলতে নেমে ১০৬ রানে তিন উইকেট পতনের পর জুটি বাধেন অমিত ও গালিব। দিনের শেষে ২৬৪ রান তুলে অবিচ্ছিন্ন আছেন তারা। গত বছরে এনসিএলেও চতুর্থ উইকেটে ২৫১ রানের জুটি গড়েছিলেন তারা দুজন। ক্যারিয়ারের দশম সেঞ্চুরি করে ২৪ চার ও ১ ছক্কায় ১৭২ রানে অপরাজিত আছেন অমিত। আর গালিব খেলছেন ১৩টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৯৯ বলে ১১১ রান নিয়ে। দ্বিতীয় দিন শেষে সিলেটের সংগ্রহ ৩ উইকেটে ৩৭০ রান। এরই মধ্যে ১৩৪ রানে এগিয়ে গেছে তারা।

সিলেটের একাডেমি মাঠে বরিশালের বিপক্ষে দ্বিতীয় ইনিংসে ১৪৯ রানে এগিয়ে ময়মনসিংহ। প্রথম ইনিংসে ময়মনসিংহের ৩৫৪ রানের জবাবে বরিশাল গুটিয়ে যায় ২১৭ রানে। পরে দ্বিতীয় ইনিংসে বিনা উইকেটে ৯ রানে দিন শেষ করে ময়মনসিংহ। ময়মনসিংহের পক্ষে প্রথম ইনিংসে ৮ চার ও ৭ ছক্কায় মাত্র ৭৬ বলে ৯৭ রানের ইনিংস খেলেন আবু হায়দার রনি। দশ নম্বরে নেমে ২ চার ও ৭ ছক্কায় ৩৫ বলে ৫৫ রান করেন রকিবুল হাসান। পরে বরিশালের হয়ে ৮ রানের জন্য সেঞ্চুরি করতে পারেননি ফজলে মাহমুদ রাব্বি। ৯২ রানের ইনিংসে ৯ চারের সঙ্গে ৫টি ছক্কা মারেন অভিজ্ঞ বাঁহাতি ব্যাটার।

খুলনা বিভাগীয় স্টেডিয়ামে স্বাগতিক খুলনার চেয়ে ৪১ রানে এগিয়ে ঢাকা। খুলনার ১৯৪ রানের জবাবে দ্বিতীয় দিন শেষে ঢাকার সংগ্রহ ৫ উইকেটে ২৩৫ রান। ৭৭ রান করে আউট হয়েছেন ফয়সাল আহমেদ। এছাড়া জিসান আলম ৫৭ ও আনিসুল ইসলাম ইমন করেছেন ৪৮ রান।