পারমাণবিক নিয়ন্ত্রন কাঠামো আরও কঠোর করেছে মালয়েশিয়া। সোমবার (১ নভেম্বর) থেকে কার্যকর হওয়া সংশোধিত আইনে পারমাণবিক শক্তি সম্পর্কিত সব ধরনের কার্যক্রম যেমন তেজস্ক্রিয় ও পারমাণবিক পদার্থের আমদানি, রপ্তানি ও ট্রান্সশিপমেন্ট এখন থেকে অনুমতির আওতায় আনা হয়েছে।
জ্বালানি চাহিদা মোকাবিলা ও ২০৫০ সালের মধ্যে নেট-জিরো নির্গমন লক্ষ্য অর্জনের অংশ হিসেবে দেশটি পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারের সম্ভাব্যতা যাচাই করছে। বিজ্ঞান, প্রযুক্তি ও উদ্ভাবন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, নতুন কাঠামো শ্রমিক, সাধারণ মানুষ ও পরিবেশের সুরক্ষা নিশ্চিত করার পাশাপাশি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা মানের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নজরদারি আরও জোরদার করবে।
নতুন নিয়ম অনুযায়ী, যেকোনো পারমাণবিক বা তেজস্ক্রিয় পদার্থ কিংবা সংশ্লিষ্ট প্রযুক্তি মালয়েশিয়ার সীমান্ত দিয়ে আনা–নেওয়ার জন্য কোম্পানিগুলোকে অবশ্যই অনুমতি নিতে হবে। পাশাপাশি, পারমাণবিক স্থাপনা নির্মাণের আগে অনুমোদিত ডিকমিশনিং পরিকল্পনা, পারমাণবিক উপকরণ হিসাব-নিকাশ ব্যবস্থা এবং আইএইএ–র পরিদর্শন ও রিপোর্টিংয়ের বাধ্যবাধকতাও থাকবে।
আইনে গুরুতর অপরাধের সাজা আরও কঠোর করা হয়েছে। বিশেষ করে ধ্বংসাত্মক কর্মকাণ্ড বা পারমাণবিক অস্ত্র সংক্রান্ত অপরাধের জন্য তিন দশক থেকে চার দশক পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা মৃত্যুদণ্ডের বিধান থাকছে।