জামায়াতে ইসলামের নায়েবে আমির এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে নানা ধরনের অভিযোগ করা হয়- আমরা নাকি অমুসলিমদের মুসলমান বানাব, দেশে ব্যবসা-বাণিজ্য ব্যাহত হবে ইত্যাদি।
আওয়ামী লীগ সরকার আমলেও মন্দিরে হামলার ঘটনা আমাদের ওপর চাপানো হয়েছে। অথচ গত দুই বছরে জামায়াত-শিবিরের কর্মীরাই মন্দির পাহারা দিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘আগামীতে জামায়াত দেশ পরিচালনার সুযোগ পেলে সবার আগে দেশকে দুর্নীতিমুক্ত করা হবে।
এ দেশ গরিব নয়, সম্পদশালী দেশ- কিন্তু চরিত্রবান নেতৃত্বের অভাবে হাজার হাজার কোটি টাকা দেশের বাইরে পাচার হয়েছে।’
মঙ্গলবার বিকেলে শহরের ঐতিহাসিক অম্বিকা ময়দান মাঠে এক কর্মী সমাবেশে তিনি এসব কথা বলেন। তাঁর ভাষ্যে, ‘বাংলাদেশে সম্পদের ঘাটতি নেই। রাষ্ট্রের অর্থ সঠিকভাবে ব্যবহার হলে বাংলাদেশ কয়েকটি সিঙ্গাপুরের চেয়েও এগিয়ে যেতে পারত।’
বক্তব্যের একপর্যায় তিনি বলেন, ‘দেশে দাঁড়িপাল্লার জোয়ার উঠেছে। এ জোয়ারে ভীত হয়ে আমাদের ওপর হামলার চেষ্টা হচ্ছে। যুবকরা ভোটকেন্দ্র পাহারা দেবেন। যারা আক্রমণ করবে তাদের যেমন দুই হাত আছে, আমাদেরও দুই হাত আছে- আমরা প্রতিহত করব।’
ফরিদপুর জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা মুহাম্মদ বদরুদ্দিনের সভাপতিত্বে আয়োজিত এই গণসমাবেশে বিশেষ অতিথি ছিলেন জামায়াতের কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ফরিদপুর অঞ্চল সহকারী মুহাম্মদ দেলোয়ার হোসেন, আঞ্চলিক টিম প্রধান শামসুল ইসলাম আল বরাটি, ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের প্রার্থী প্রফেসর আবদুত তাওয়াব, মাওলানা মো. সরোয়ার হোসাইন, মাওলানা ছোরহাব হোসেন প্রমুখ।
এ সময় ফরিদপুর সদর উপজেলার বারোটি ইউনিয়ন ও পৌরসভার কয়েক হাজার নেতাকর্মী সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন।