অংকনকে ‘দুর্ভাগা’ বললেন লিটন

আয়ারল্যান্ডের সঙ্গে দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে ৫ রান করা সোহান ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজে দুই ম্যাচে করেছিলেন ৬ রান। চলতি বছরে খেলা ৯ ম্যাচের ছয়টিতে দুই অঙ্ক ছুঁতে পারলেও আধুনিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের সঙ্গে পারফরম্যান্স মেলাতে পারেননি। বেশিরভাগ ম্যাচেই দলের প্রয়োজনে হাল ধরতে পারেননি। লোয়ার অর্ডারের কোনো ব্যাটার নিয়মিত রান না করলেও উদ্বেগের কিছু দেখছেন না লিটন। সবার কাছেই বিশ্বকাপে সেরা পারফরম্যান্সটা চান বাংলাদেশের অধিনায়ক।

এ প্রসঙ্গে লিটন বলেন, ‘না, আমি খুব একটা উদ্বিগ্ন না ওই জায়গাটা নিয়ে। আমিও বলেছি প্রত্যেকটা সিরিজ প্রত্যেকটা খেলোয়াড় ভালো খেলবে না। দেখুন হৃদয় অনেক দিন ধরে স্ট্রাগল করছিল বড় রানের জন্য। কিন্তু এই সিরিজে সে বড় রান পেয়েছে। তার মানে প্রত্যেকটা খেলোয়াড় সামর্থ্যবান বড় রান করার জন্য। তাদের একটু সময় দিতে হবে। আমি আশা করি তারা বিপিএল খেলবে সবাই এবং বিপিএলে ভালো করবে। জাতীয় দলে আমার আসল দরকার বিশ্বকাপে। যদি বিশ্বকাপে ভালো করে তাহলেই হবে, আমার আর কিছু লাগবে না।’

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজ শুরুর আগে স্কোয়াডে শামীম পাটোয়ারিকে দেখতে না পেয়ে নির্বাচকদের ওপর ক্ষোভ ঝেড়েছিলেন লিটন। শামীমকে শেষ ম্যাচের স্কোয়াডে নেওয়া হয়। তিনি শেষ ম্যাচও খেলেন, যদিও ব্যাট করার সুযোগ হয়নি। আর শামীমের জায়গায় দলে নেওয়া মাহিদুল ইসলাম অংকনকে সুযোগই দেওয়া হয়নি স্কোয়াডে। ডানহাতি ব্যাটারকে না খেলানোর ব্যাখ্যায় লিটন বলেন, ‘দেখুন আমি বলব সে (অংকন) দুর্ভাগা। যেহেতু তিনটা ম্যাচই আমরা খেলেছি। ওই জায়গায়, ওই পজিশনে আমরা তিনজনকেই ঘুরিয়ে খেলার চেষ্টা করেছি। আরও ম্যাচ বেশি থাকলে হয়তো-বা তাকেও চেষ্টা করতাম। সুতরাং ওইদিক দিয়ে সে অনেক দুর্ভাগা।’ নির্বাচকদের ওপর ক্ষুব্ধ হয়ে কথা বলার ব্যাপারে অনুতপ্ত লিটন বলেছেন, ‘হিট অব দ্য মোমেন্টে অনেক কিছুই হয়ে যায়। দুই পক্ষেই আমাদের সঙ্গে হয়েছে। কিন্তু যে জিনিসটা হয়েছে সেটা ভালো না, ক্রিকেটের জন্য ভালো না। পরেরবার থেকে এই জিনিসগুলো হবে না। এরপরে আমরা সুন্দর করে বসে কথা বলেছি এবং একটা ভালো সমাধানে এসেছি।’