নিষেধাজ্ঞা
গুপ্তকথা অকুতোভয়ে গোপনীয় রাখা ভালো
ব্ল্যাকহোল চর্চা চিত্তবিনোদনে ধস নামালে
বিশুদ্ধ বিজ্ঞান, তুমি তার হাত ধ’রো
অঙ্কুরিত জবাগাছ, বড় হয়ে আদুরে সন্তানকে
যদি চায়, মনোনীত ফল দিয়ো।
উল্লাসভ্রমণে আলোচনা নয়, সমালোচনাই কিঞ্চিৎ শ্রেয়
জোরালো নথি, টিকা-টিপ্পনী, অলক্তকুন্তলা
সবই অকার্যকর এই রেসে।
অনার্যসূচি ধরে অবিরাম হাঁটো
সূর্যাস্তে সন্দেহের নতুন মৌল তৈরি হবে।
আততায়ী অজ্ঞাত। সে জানে,
থ্রিলারে থিসিস ঢোকালে উত্তেজনায় ভাটা পড়ে।
পলাশ শিমুল হাতে সুগন্ধে বিব্রত, সূচিবদ্ধ মহাজন,
কোকিল জানে কী মতলবে মোচন করেছে বহিরাবরণ?
স্বাতন্ত্র্য
মাধুরীকে সংজ্ঞায়িত করি বেদনার কেন্দ্রে ঘুরে ঘুরে।
মহুয়ার ডালে ময়ূর বসে না কখনো
মৌরীর ঘ্রাণকে নস্যাৎ করে,
পদে-পদে বোটকা গন্ধের ছাপ রেখে
হেলেদুলে চলে গেছে বাঘ।
ডুমুরের সংজ্ঞা নিয়ে চিন্তিত হরিণ
পারদে পূর্ণ হয়ে দিশেহারা দাঁড়কাক
বৃষ্টি পড়ছে বনে, পুরো অরণ্য ভিজে ফানাফানা
পেখম মেলেছে ময়ূর, শিকারে মেতেছে বাঘ
গোলাপের গন্ধে আচমকা নেমেছে নির্জন
তীব্র থেকে তীব্রতর হচ্ছে কামনাকথন।
রোমাঞ্চ
স্মরণযোগ্য স্বপ্নের কথা শুনে
ধারদেনা করে সেই যে ঢুকলে মহাভারতে
আমি বলিরাধার কী হলো?
এত এত বাঁশির ব্যাকরণ লিখে
তালাবদ্ধ গেটে রোজ দাঁড়িয়ে থাকি
প্লাকার্ডে লেখা‘আমার শ্রীমতীকে দিয়ো।’
রেকর্ড চুরমার করে নীরবতার নৈহার চলে
সঞ্চিত অট্টহাসি কানে কানে বলে
ওইদিকে যান, তটরেখা ধরে নিয়তিঘন চিত্রকল্প
মূল থেকে ভস্মমুখ লিখছেন আর কাটছেন,
বেদনার উৎস ও উপশমের সংরক্ত লিপিকার।