ইসরায়েল–হামাস যুদ্ধবিরতির দ্বিতীয় ধাপ শীঘ্রই শুরু হতে পারে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু। যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় তৈরি পরিকল্পনার এই ধাপে ইসরায়েলকে আরও পিছু হটে আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা বাহিনীর উপস্থিতিতে গাজায় একটি অন্তর্বর্তী কর্তৃপক্ষ গঠনের কথা রয়েছে। একই সঙ্গে হামাসের নিরস্ত্রীকরণ ও পুনর্গঠন কার্যক্রম শুরু করার কথা চলছে।
তবে হামাসের অস্ত্রসমর্পণই এখন মূল জটিলতা। হামাসের এক শীর্ষ নেতা বাসেম নাঈম কাতারে এসোসিয়েটেড প্রেসকে জানিয়েছেন, সংঘাত এড়াতে তাদের অস্ত্র মজুত রাখার বিষয়ে আলোচনায় রাজি আছে হামাস।
নেতানিয়াহু জানিয়েছেন, মাসশেষে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে দ্বিতীয় ধাপ বাস্তবায়ন নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন। জার্মান চ্যান্সেলর ফ্রিডরিখ মের্ৎসের সঙ্গে সাক্ষাতেও তিনি গাজায় হামাস শাসন সমাপ্ত করার প্রয়োজনীয়তার কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। একই সঙ্গে তিনি আন্তর্জাতিক বাহিনীর মাধ্যমে হামাসকে নিরস্ত্র করা কতটা সম্ভব হবে তা নিয়েও সন্দেহ প্রকাশ করেন।
যুদ্ধবিরতি শুরুর পর থেকে গাজার হামাস নিয়ন্ত্রিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলছে, ইসরায়েলি হামলায় তিন শতাধিক ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। ইসরায়েল দাবি করছে, এসব হামলা ছিল ফিলিস্তিনিদের যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘনের জবাব, যার মধ্যে ইসরায়েলি নিয়ন্ত্রিত এলাকায় ঢুকে পড়ার ঘটনাও রয়েছে। একই সময়ে দক্ষিণ গাজায় টানেলে লুকিয়ে থাকা হামাস সদস্যদের সঙ্গে সংঘর্ষে ইসরায়েলের তিন সেনা নিহত হয়েছে।