আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের পেসার মোস্তাফিজুর রহমানকে চেন্নাই সুপার কিংসের সাথে লড়াই করে ৯.২০ কোটি রূপিতে কিনে নিয়েছে কলকাতা নাইট রাইডার্স। ৯.২ কোটি রূপি বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১২ কোটি ৩৭ লাখ টাকা।
আইপিএল নিলামে বাংলাদেশের খেলোয়াড়দের সর্বোচ্চ মূল্য এটি। তার আগে ২০০৯ সালে মাশরাফি বিন মোর্ত্তজাকে ৫.৪৫ কোটি রূপিতে কেকেআর কিনেছিল। আর মোস্তাফিজ ২০১৮ সালের নিলামে ২.২০ কোটি রূপিতে খেলেছিলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ানসে।
ত্রিমুখী লড়াইয়ে কেকেআরের জয়
আবুধাবিতে আইপিএল নিলামে মোস্তাফিজের ভিত্তিমূল্য ছিল ২ কোটি রূপি। চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালসের মধ্যে মোস্তাফিজকে নিয়ে তুমুল লড়াইয়ে নিলামের দর দ্রুতই ৫ কোটির দিকে ছুটছিল। শেষ পর্যন্ত ক্যাপিটালস সরে দাঁড়ায়। ৫.৪ কোটিতে এগিয়ে যায় চেন্নাই। ঠিক তখনই নতুন বিডার হিসেবে হাজির কলকাতা নাইট রাইডার্স।
চেন্নাই দর বাড়িয়ে নেয় ৭ কোটিতে। কেকেআর আবার লড়াইয়ে ফিরে এসে স্পষ্ট বার্তা দেয়—আমাদের খেলোয়াড়কে ছেড়ে দাও না। একটু থেমে হিসাব কষে নেয় চেন্নাই। এরপর আবার নিলামে ঝাঁপিয়ে পড়ে।
ফিজের জন্য বড় অঙ্কের দিন ছিল আজ। হেড কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং সহযোগীর সঙ্গে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করেন, তারপর দর বাড়িয়ে ৯ কোটিতে নিয়ে যান। কেকেআরও অনড় থাকে। ৯.২ কোটিতে এগিয়ে যায় কেকেআর। শেষপর্যন্ত চেন্নাই হাল ছেড়ে দেয়। ৯.২ কোটিতে কলকাতা নাইট রাইডার্সে কিনে নেয় মোস্তাফিজকে।
আইপিএলে এটি ষষ্ঠ দল মোস্তাফিজের। এর আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদ, মুম্বাই ইন্ডিয়ানস, রাজস্থান রয়্যালস, চেন্নাই সুপার কিংস ও দিল্লি ক্যাপিটালসে খেলেছেন তিনি।
আট আসরে পাঁচটি ভিন্ন দলের হয়ে মোট ৬০টি ম্যাচ খেলেছেন ৩০ বছর বয়সী বাঁহাতি পেসার। ওভারপ্রতি ৮.১৩ রান দিয়ে উইকেট নিয়েছেন ৬৫টি। ২০১৬ সালে অভিষেক আসরে ১৭ উইকেট নিয়ে তিনি আসরের সেরা উদীয়মান ক্রিকেটারের পুরস্কার পেয়েছিলেন। এই স্বীকৃতি পাওয়া একমাত্র বিদেশী ক্রিকেটার এখনও পর্যন্ত তিনিই।