ভারতে বাংলাদেশের সন্ত্রাসীদের আশ্রয় এবং বাংলাদেশের ওপর অব্যাহত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে ‘খুলনায় মার্চ টু ভারতীয় কনসুলেট অফিস’ কর্মসূচি পালিত পালিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার আধিপত্যবাদ বিরোধী ঐক্যজোটের আয়োজনে এই কর্মসূচি পালিত হয়। বিকাল ৪টার দিকে ছাত্র-জনতা নগরীর রয়্যাল চত্বরে মিলিত হয়ে মিছিল সহকারে শান্তিধাম মোড় ঘুরে শামসুর রহমান রোডে অবস্থিত ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার কার্যালয়ের দিকে অগ্রসর হয়।
কিছুদূর অগ্রসর হওয়ার পরে সিভিল সার্জন অফিসের সামনে পুলিশের ব্যারিকেটের মুখে পড়ে ছাত্র-জনতা। বিক্ষুব্ধ ছাত্র-জনতা সেই ব্যারিকেট ভেঙ্গে ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনার কার্যালয়ের অদূরে কনভেনশন সেন্টারের সামনে বেরিকেট দিয়ে আটকে দেয় পুলিশ, নৌ বাহিনী, সেনাবাহিনীসহ প্রশাসনের সদস্যরা। পরে রাস্তা আটকিয়ে আন্দোলনকারীরা ‘দিল্লি না ঢাকা ঢাকা, ভারতের দালালেরা হুঁশিয়ার সাবধান, গোলামী না আজাদী, আজাদীসহ বিভিন্ন স্লোগান দেয়।’
এ সময় তারা বলেন, স্বাধীনতার পর থেকেই ভারত বিভিন্নভাবে বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব বিনষ্ট করছে। তারা ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধানসহ আওয়ামী লীগের নেতা কর্মীদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়েছে। শুধু তাই নয় সম্প্রতি ভারত ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদীকে গুলি বর্ষণকারীদের আশ্রয় দিয়েছে। যা থেকে প্রমাণ করে তারা কখনোই বাংলাদেশের ভালো চায় না। আগামী ২৫ তারিখের মধ্যে ফ্যাসিস্টের দোসরদের ফেরত না দিলে আগামীতে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে।
এমনকি ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের কার্যালয় ইট খুলে নেওয়ারও হুঁশিয়ারি দেয় আন্দোলনকারীরা। বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত আন্দোলনকারীরা শামসুর রহমান রোডে অবস্থান করে মিছিল সহকারে ফের রয়্যাল চত্বরে গিয়ে কর্মসূচি শেষ করে।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ-কমিশনার মো. তাজুল ইসলাম বলেন, আন্দোলনকারীরা যাতে কোনো কিছু ধ্বংস করতে না পারে সেজন্য আমরা ব্যারিকেট দিয়ে কড়া প্রহরায় ছিলাম। সে কারণে আন্দোলনকারীরা কনভেনশন সেন্টারের সামনে পৌঁছে ব্যারিকেটের বাইরে থেকে শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি পালন করে চলে যায়।