বাবার পাশে শায়িত হলেন শহীদ সবুজ

সুদানে সন্ত্রাসী হামলায় শহীদ সবুজ মিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে নিজ বাড়ি গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আমলাগাছি গ্রামের বাবার পাশে দাফন করা হয়েছে। রবিবার (২১ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে গ্রামের বাড়িতে জানাজা শেষে তাকে দাফন করা হয়।

এর আগে দুপুর ২টার দিকে সেনাবাহিনীর বহনকারী হেলিকপ্টারে শহীদ সবুজ মিয়ার মরদেহ গাইবান্ধার তুলসীঘাট হেলিপ্যাডে পৌঁছায়। সেখান থেকে অ্যাম্বুলেন্সে মরদেহ নেওয়া হয় গ্রামের বাড়িতে। সেখানে জানাজা শেষে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে গার্ড অব অনারের মাধ্যমে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা সম্পন্ন করা হয়।

রাষ্ট্রীয় মর্যাদা শেষে বিকেলে গ্রামের বাড়িতে জানাজার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে অংশ নেন সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ জনপ্রতিনিধি, আলেম-ওলামা, রাজনৈতিক নেতারাসহ সর্বস্তরের মানুষ। জানাজা শেষে শহীদ সবুজ মিয়াকে তার বাবার কবরের পাশে দাফন করা হয়।

রংপুর সেনানিবাসের ক্যাপ্টেন মো. আলভী জানান,বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শহীদ সবুজ মিয়ার জানাজা ও দাফন সর্বোচ্চ মর্যাদা ও সম্মানের সঙ্গে সম্পন্ন করা হয়েছে।

এ সময় কান্না জড়িত কণ্ঠে নিহতের স্ত্রী নুপুর আক্তার বলেন, বিয়ের মাত্র এক বছর আট মাসের মাথায় স্বামীকে হারালাম। সব স্বপ্ন এক মুহূর্তে শেষ হয়ে গেল।

গত ১৩ ডিসেম্বর সুদানের আবেই ঘাঁটিতে সন্ত্রাসীর হামলায় গাইবান্ধার সবুজ মিয়াসহ বাংলাদেশের ৬ শান্তিরক্ষী নিহত হন। এসময় ৮ জন আহত হয়েছেন। ওই ঘটনার প্রায় এক সপ্তাহ ২১ ডিসেম্বর সকালে ঢাকা সেনানিবাস কেন্দ্রীয় মসজিদে নামাজে জানাযা শেষে সবুজ মিয়া মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়।