ইংল্যান্ডের বিপক্ষে ইতোমধ্যেই ৩-০ ব্যবধানে অ্যাশেজ সিরিজ নিশ্চিত করে ফেলেছে অস্ট্রেলিয়া। এই পরিস্থিতিতে খেলোয়াড়দের আচরণ নিয়ে কড়া মন্তব্য করলেন অস্ট্রেলিয়ার কিংবদন্তি পেসার গ্লেন ম্যাকগ্রা। বর্তমান যুগে বিভিন্ন ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগে অনেক দেশের খেলোয়াড়রা একসঙ্গে খেলছেন। ফলে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে আগের মতো আক্রমণাত্মক মনোভাব বা প্রতিদ্বন্দ্বিতার তীব্রতা দেখা যাচ্ছে না। বিষয়টি মোটেও পছন্দ নয় ম্যাকগ্রার।
মাঠের খেলায় দুই দলের খেলোয়াড়দের অতিরিক্ত বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ অস্ট্রেলিয়ার সাবেক এই গতি তারকার কাছে বিরক্তিকর মনে হয়। তার মতে, বন্ধুত্ব মাঠের বাইরে সীমাবদ্ধ থাকা উচিত, মাঠে থাকবে কেবল প্রতিদ্বন্দ্বীতা। এক পডকাস্টে ম্যাকগ্রা বলেন, ‘ওভারের শেষে ব্যাটসম্যানকে আমি দেখি বোলারের কাঁধে হাত রেখে হাঁটছে, দুজন একসঙ্গে হাসাহাসি করছে। এখানেই ম্যাচ রেফারির হস্তক্ষেপ করা উচিত। দুজনকেই জরিমানা করা দরকার। আবার এমন হলে নিষিদ্ধ করা উচিত। আমার মতে, এটা লজ্জাজনক।’
কয়েক দিন আগে একটি কলামে ম্যাকগ্রা ইংল্যান্ড দলের মানসিকতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। তিনি লিখেছিলেন, ‘আমি মনে করি না ইংল্যান্ডের এই ব্যর্থতা খেলোয়াড়দের দক্ষতার অভাবে হয়েছে। জো রুট ও বেন স্টোকস—এই দুইজন ইংল্যান্ডের ইতিহাসের সেরা খেলোয়াড়দের মধ্যে অন্যতম, অথচ তারা কখনো অস্ট্রেলিয়ায় টেস্ট জিততে পারেনি। যদি এটা সামর্থ্যের কারণে না হয়, তাহলে অবশ্যই এটা মানসিকতার সমস্যা।’
এই সিরিজে ইংল্যান্ড প্রথম টেস্টে মাত্র দুই দিনের মধ্যেই ৮ উইকেটে হেরে যায়। দ্বিতীয় টেস্টেও একই ব্যবধানে তারা পরাজিত হয়। তৃতীয় টেস্টে সিরিজে টিকে থাকার শেষ সুযোগ থাকলেও তারা ৮২ রানে হেরে যায়। ফলে মেলবোর্ন ও সিডনির দুই টেস্ট বাকি থাকতেই অ্যাশেজ ধরে রাখে অস্ট্রেলিয়া। ম্যাকগ্রার মতে, মাঠে প্রতিপক্ষের প্রতি অতিরিক্ত সৌজন্য নয়, বরং আগ্রাসী মানসিকতাই বড় ম্যাচে পার্থক্য গড়ে দেয়।