বরগুনার স্বেচ্ছাচারিতা ও মনোনয়নপত্র জমা নেওয়ার কালক্ষেপণের অভিযোগ উঠেছে পাথরঘাটায় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ইশরাত জাহানের বিরুদ্ধে। এর জেরে ক্ষুব্ধ হয়ে বরগুনা-২ আসনের প্রার্থী বিএনপি ভাইস চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম মনি মনোনয়নপত্র জমা না দিয়েই বাড়ি ফিরে যান।
মনোনয়নপত্র দাখিলকে কেন্দ্র করে সোমবার (২৬ ডিসেম্বর) বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয় চত্বরে হট্টগোল সৃষ্টি হয়। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়।
ভুক্তভোগী প্রার্থী নুরুল ইসলাম মনি বলেন, আমি মনোনয়নপত্র জমা দিতে গেলে ইউএনও ওয়াশরুমে যাওয়ার কথা বলে কক্ষ ত্যাগ করেন। প্রায় আধা ঘণ্টা পার হলেও তিনি আর ফিরে আসেননি। আমার ধারণা, অন্য রাজনৈতিক পক্ষের এজেন্ডা বাস্তবায়নে এ ধরনের স্বেচ্ছাচারি আচরণ করা হয়েছে।
তিনি বলেন, পাথরঘাটায় মনোনয়নপত্র দাখিল না করলেও বেতাগী ও বামনা উপজেলায় মনোনয়নপত্র দাখিল করেছি। সুষ্ঠ নির্বাচনের জন্য এই ইউএনওর প্রত্যাহার দাবি করছি।
ঘটনার প্রতিবাদে তাৎক্ষনিক বিএনপি ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অপসারণ দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেন। তারা এ ঘটনায় সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা প্রকাশ করেন এবং দ্রুত প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ইশরাত জাহানের বলেন, আপনারা যা দেখেছেন সেটাই ঘটেছে এবিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করবো না।
এবিষয়ে বরগুনার জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা তাছলিমা আক্তার বলেন, এবিষয়ে আমি অবগত হয়েছি। খোঁজ খবর নিয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
পাথরঘাটা থানা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মংচেনলা জানান, ঘটনার সময় আমি সেখানে উপস্থিত ছিলাম। পরে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে অতিরিক্ত পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অন্যান্য সদস্যেদের মোতায়েন করা হয়।