পটুয়াখালীর দুমকি উপজেলায় চলতি রবি মৌসুমে শস্য, ডাল, তেল, মসলা ও সবজি মিলিয়ে মোট ৬ হাজার ৯৯১ হেক্টর জমিতে ফসল আবাদ করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে উপজেলা কৃষি বিভাগ।
উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, রবি মৌসুমে সবচেয়ে বেশি আবাদ হবে ডালজাতীয় ফসল। ৫ হাজার ১৪১ হেক্টর জমিতে ডাল চাষের লক্ষ্য ধরা হয়েছে। এর মধ্যে খেসারি ৮৮৫ হেক্টর, মুগ ৪ হাজার ১৯০ হেক্টর, মাষকলাই ৪১ হেক্টর, মটর ১৫ হেক্টর ও মসুর ১০ হেক্টর।
সবজি আবাদ হবে ৯৭৬ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে মরিচ ১৮০ হেক্টর, ধনিয়া ৫০ হেক্টর, তরমুজ ১৭০ হেক্টর, মিষ্টি আলু ১১৫ হেক্টর, আলু ৩২ হেক্টর, ভুট্টা ৩৫ হেক্টর, শসা ২৫ হেক্টর, শিম ৩০ হেক্টর, গম ৬ হেক্টরসহ অন্যান্য সবজি রয়েছে।
তেলজাতীয় ফসলের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২৩৪ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে চিনাবাদাম ১১৫ হেক্টর, সরিষা ৫০ হেক্টর, সূর্যমুখী ৪৫ হেক্টর, তিল ১৮ হেক্টর ও সয়াবিন ৬ হেক্টর।
মসলা জাতীয় ফসল আবাদ হবে ২৫৩ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে মরিচ ১৮০ হেক্টর, ধনিয়া ৫০ হেক্টর, পেঁয়াজ ৮ হেক্টর, রসুন ১১ হেক্টর ও হলুদ ৪ হেক্টর। কালোজিরা ও আদার আবাদ নেই বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।
ইতোমধ্যে খেসারির আবাদ সম্পন্ন হয়েছে। অন্যান্য ফসলের চাষ চলমান রয়েছে। পৌষের কনকনে শীত উপেক্ষা করে কৃষকরা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত জমিতে কাজ করছেন।
এদিকে চলতি মৌসুমে বোরো ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৩৬৪ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে উন্নত জাতের বোরো ৩০১ হেক্টর ও হাইব্রিড বোরো ৬৩ হেক্টর। স্থানীয় জাতের বোরোর আবাদ হয়নি। বোরো বীজতলা তৈরি হয়েছে ২৩ দশমিক ২ হেক্টর জমিতে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. ইমরান হোসেন বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবং কৃষকদের আগ্রহ বাড়ায় এ বছর রবি মৌসুমে আবাদ লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি অর্জন সম্ভব হবে। রোগবালাই ও প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ফলন ভালো হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত
করেছেন।