সুনামগঞ্জ সদরের লঞ্চঘাট এলাকায় ৪৫ বছর পর উদ্ধার হওয়া সরকারি জমিতে থাকা প্রায় ১৪টি গাছ রাতের আঁধারে কেটে ফেলেছে দখলদাররা। উচ্ছেদ অভিযানের সময় চেয়ে জেলা প্রশাসকের কাছ থেকে সুযোগ নিয়ে সেই সুযোগের অপব্যবহার করে এই পরিবেশ বিধ্বংসী কাজ করার অভিযোগ উঠেছে জমির দখলদারদের বিরুদ্ধে।
পৌরশহরের সুরমা নদীর তীরের লঞ্চঘাট এলাকাটি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধ দখলে ছিল।
সম্প্রতি জেলা প্রশাসক জায়গাটি দখলমুক্ত করে সেখানে একটি জনকল্যাণমূলক যাত্রী ছাউনি নির্মাণের আশ্বাস দেন। স্থানীয়দের দীর্ঘদিনের দাবি ছিল এই খেয়াঘাট ও যাত্রী ছাউনি। প্রশাসনের পক্ষ থেকে দোকানপাট সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিলে দখলদাররা সময় প্রার্থনা করেন।
কিন্তু অভিযোগ উঠেছে, দোকান সরানোর পরিবর্তে তারা রাতের আঁধারে দোকানঘরের শাটার নামিয়ে পেছনে থাকা বড় বড় গাছগুলো কেটে সরিয়ে ফেলেছে।
সুরমা ইউনিয়নের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য গিয়াস উদ্দিন করে বলেন, তারা ডিসি স্যারের কাছে সময় চেয়েছিল সরকারি জায়গায় নির্মাণ করা ঘর সরানোর জন্য কিন্তু দোকানঘরের পেছনে প্রায় ১৪টি গাছ কেটে বিক্রি করে দিয়েছে। এটা চরম ধৃষ্টতা, গ্রামবাসীর ভেতর ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।
সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আদিত্য পাল বলেন, আমরা ১নম্বর খাস খতিয়ানভুক্ত জমিটি উদ্ধারে অভিযান পরিচালনা করেছি। খবর পেয়েছি যে দখলদাররা অবৈধভাবে রাতের অন্ধকারে সরকারি গাছগুলো কেটে ফেলেছে, যা আইনত দণ্ডনীয়। আনুমানিক ১৪টি গাছ কাটা হয়েছে। আমরা বিধি মোতাবেক তাদের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি।