পে-কমিশনের সভার তারিখ চূড়ান্ত হচ্ছে কাল-পরশু

নবম পে-স্কেল নিয়ে স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার তারিখ এখনো চূড়ান্ত হয়নি। আগামীকাল সোমবার অথবা পরশু মঙ্গলবার সভার নতুন তারিখ চূড়ান্ত করা হবে বলে জানা গেছে।

রবিবার (৪ জানুয়ারি) পে-কমিশনের একটি সূত্র জানিয়েছে, কমিশনের চেয়ারম্যান জাকির আহমেদ খানসহ কমিশনের সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে স্থগিত হওয়া পূর্ণ কমিশনের সভার তারিখ চূড়ান্ত করা হবে। আগামী সপ্তাহে পে-কমিশনের সভা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি বলে সূত্রটি জানিয়েছে।

নাম অপ্রকাশিত রাখার শর্তে পে-কমিশনের এক সদস্য বলেন, কাল অথবা পরশু সভার তারিখ চূড়ান্ত করে সবাইকে অবহিত করা হবে। আগামী সপ্তাহে সভা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি। তবে কমিশনের চেয়ারম্যান এবং বিজ্ঞ সদস্যরা চাইলে এর আগে অথবা পরেও সভা হতে পারে। এই সভায় অনেক কিছু চূড়ান্ত হবে বলেও জানান তিনি।

পে-কমিশন সূত্র জানা গেছে, সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন গ্রেড নিয়ে তিন ধরনের চিন্তা করছে কমিশন। বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের ২০টি গ্রেড রয়েছে। কমিশনের অনেক সদস্য মনে করেন বিদ্যমান গ্রেড সংখ্যা একই রেখে যৌক্তিক হারে বেতন-ভাতা বৃদ্ধির সুপারিশ করতে। তবে এখানে ঘোর আপত্তি রয়েছে কমিশনের আরেকটি অংশের। তারা মনে করেন, গ্রেড সংখ্যা ২০টি থেকে কমিয়ে ১৬টি করা উচিত।

সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গ্রেড সংখ্যা ১৬টি করতে অনেক সদস্য একমত হলেও সদস্যদের আরেকটি অংশ চাচ্ছে নবম পে-স্কেলের গ্রেড সংখ্যা ১৪টি করা হোক। এক্ষেত্রে তাদের যুক্তি, গ্রেড সংখ্যা অধিক হওয়ায় বেতন বৈষম্য বেশি হতে পারে। এজন্য গ্রেড সংখ্যা কমানোর পক্ষে তারা।

জানা গেছে, নবম পে-স্কেল নিয়ে বিভিন্ন সংস্থা, সংগঠন থেকে প্রাপ্ত মতামতগুলো চুলচেরা বিশ্লেষণ করছে জাতীয় বেতন কমিশন (পে-কমিশন)। তবে এখনো সম্পূর্ণ প্রতিবেদন লেখার কাজ করা যায়নি বলে জানিয়েছে পে-কমিশন।

বাস্তবসম্মত একটি সুপারিশ প্রস্তুতির দিকে মনোযোগ দিয়েছে কমিশন। এজন্য প্রতিটি সংস্থা, দপ্তর এবং সংগঠন থেকে প্রাপ্ত প্রস্তাব গভীরভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।