গাজা সিটির কাছে একটি রকেট উৎক্ষেপণস্থলে লক্ষ্যভিত্তিক বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) দেশটির সেনাবাহিনী জানায়, একটি ব্যর্থ রকেট উৎক্ষেপণের চেষ্টা শনাক্ত করার পরপরই ওই স্থাপনায় হামলা করা হয়। রকেটটি ইসরায়েলের ভূখণ্ডে প্রবেশ করেনি। এ ঘটনার মধ্য দিয়ে গাজা যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপ শুরু হবে কি না—তা নিয়ে অনিশ্চয়তা আরও বেড়েছে।
ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর দাবি, গত ২৪ ঘণ্টায় হামাস দু'বার যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। তবে হামাসের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা অভিযোগটি খতিয়ে দেখছে। ইসরায়েলের ভাষ্য অনুযায়ী, উৎক্ষেপণের চেষ্টা শনাক্ত হওয়ার পর দ্রুতই ওই স্থানটিতে হামলা চালানো হয়।
যুদ্ধবিরতির অগ্রগতি এখনো স্থবির অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান ধাপ অনুযায়ী গাজায় আটক থাকা শেষ ইসরায়েলি জিম্মির মরদেহ হস্তান্তরের অপেক্ষায় রয়েছে তেল আবিব। প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর ঘনিষ্ঠ এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওই মরদেহ ফেরত না দেওয়া পর্যন্ত ইসরায়েল যুদ্ধবিরতির পরবর্তী ধাপে যাবে না এবং রাফাহ সীমান্তও খুলবে না।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর থাকলেও গাজায় ইসরায়েলের বিমান হামলা ও লক্ষ্যভিত্তিক অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, গাজা থেকে যেকোনো হামলার প্রচেষ্টাকে তারা চরম গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করবে। এদিকে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগে একে অপরকে দোষারোপ করছে ইসরায়েল ও হামাস। হামাসের নিরস্ত্রীকরণসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে দু'পক্ষের অবস্থান এখনো অনেক দূরে। ইসরায়েল সতর্ক করে বলেছে, হামাস শান্তিপূর্ণভাবে নিরস্ত্র না হলে তারা পূর্ণমাত্রার সামরিক অভিযান আবার শুরু করতে পারে।