প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ তোলে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় সহকারী শিক্ষক নিয়োগের উদ্দেশ্যে আগামীকাল অনুষ্ঠিত হয়ে যাওয়া লিখিত পরীক্ষা বাতিলে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী সিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া কয়েকজন প্রার্থীর পক্ষে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব, জনপ্রশাসন সচিব, পিএসসি’র চেয়ারম্যান, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালকের উদ্দেশ্যে এ আইনি নোটিশ পাঠান। আগামীকাল ৯ জানুয়ারি বিকাল তিনটায় এ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।
অ্যাডভোকেট সিদ্দিক উল্ল্যাহ মিয়া দেশ রূপান্তরকে বলেন, আগামীকালের প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। যে কারণে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পরবর্তী কোনো একটি তারিখে নতুন প্রশ্নপত্রের মাধ্যমে পরীক্ষা নেওয়ার অনুরোধ করা হয়েছে। ব্যত্যয় হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
এর আগে গত ৫ নভেম্বর প্রথম ধাপে রাজশাহী, রংপুর, সিলেট, খুলনা, বরিশাল ও ময়মনসিংহ বিভাগের স্কুলগুলোর ১০ হাজার ২১৯টি সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়। এরপর দ্বিতীয় ধাপে গত ১২ নভেম্বর ঢাকা ও চট্টগ্রাম বিভাগের স্কুলগুলোর ৪ হাজার ১৬৬টি সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।
গত ৩০ ডিসেম্বর বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে রাষ্ট্রীয় শোক ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে ২ জানুয়ারির পরীক্ষা পিছিয়ে ৯ জানুয়ারি সকালে নির্ধারণ করা হয়। এরপর পরীক্ষার সময়সূচী পরিবর্তণ করে সকালের পরিবর্তে বিকেলে পরীক্ষা নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা অধিদপ্তর।