মতলবে ১১ দলীয় জোটের ৩ প্রার্থী, কার ভাগ্যে চূড়ান্ত টিকিট?

চাঁদপুর ২(মতলব উত্তর-মতলব দক্ষিণ) আসনে জামায়াত নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট থেকে তিনজন মনোনয়নত্র জমা দেন। যাচাই-বাছাই শেষে (এলডিপির) প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজির মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক নাজমুল হক সরকার।

এরপর যথাক্রমে ১০ ও ১১ তারিখ আপিল করে প্রার্থিতা ফিরে পান জামায়াতে ইসলামী বাংলাদেশের প্রার্থী ডা. আব্দুল মুবিন (দাঁড়িপাল্লা), ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি মানসুর আহমদ সাকি (হাত পাখা)। এরপর তিনজনই ১২ দলীয় জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাওয়ার আশা করছেন।

এ আসনে কে হচ্ছেন চূড়ান্ত প্রার্থী? মাঠে রয়েছন বিএনপি মনোনীত হেভিওয়েট প্রার্থী ড.জালাল উদ্দিন। এ নিয়ে মতলবের হাটে-বাজারে, মাঠে-ঘাটে ছড়িয়ে পড়েছে কৌতূহল ও নানা বিশ্লেষণ।

জামায়াত প্রার্থী ডা.আব্দুল মুবিন, যিনি তফসিল ঘোষণার ৬ মাস আগে থেকেই দলীয় মনোনয়ন পেয়ে মাঠ গুছানোর কাজ শুরু করেন।

জামায়াত প্রার্থী বলেন, জামায়াতে ইসলামী একটি সুশৃঙ্খল দল। বর্তমানে জনসাধারণের নিকট জামায়াতের গ্রহণ যোগ্যতা বৃদ্ধি পেয়েছে। আমি জোটের অন্যান্য দলের প্রতি সম্মান রেখে বলছি, অন্যান্য দলের চেয়ে  জামায়াত ইসলামীর দলের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড ও নির্বাচনী প্রচার প্রচারণায় অনেক এগিয়ে আছে। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর দাঁড়িপাল্লা প্রতীক জোটের চূড়ান্ত মনোনয়ন পাবে বলে আশাবাদ করছি। তবে দল যা সিদ্ধান্ত নেয় আমি তার মধ্যে আছি।

ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী মুফতি মানসুর আহমদ সাকী বলেন, এ আসনে জোট থেকে আমাকে ইতিমধ্যেই চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে। আমি অনেক আগে থেকেই মাঠে রয়েছি। কেন্দ্র থেকে যে সিদ্ধান্ত আসবে সে মোতাবে কি কাজ হবে।

লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির প্রার্থী বিল্লাল হোসেন মিয়াজী বলেন, আমাকেই এ আসনে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা দেওয়ার পরই আমি মনোনয়ন জমা দিয়েছি। তাছাড়া আমি দীর্ঘদিন ধরে এলাকায় জনসেবায় সম্পৃক্ত রয়েছি, তাই এলাকায় আমার নিজস্ব একটি জনমত ও জনপ্রিয়তা রয়েছে। আমি শতভাগ আশাবাদী ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সাংগঠনিক কর্মকাণ্ড এবং আমার জনপ্রিয়তার দিকটি বিবেচনায় নিয়ে হাতপাখা প্রতীকের পক্ষেই জোট থেকে চূড়ান্ত মনোনয়ন আসবে।

তবে জোট থেকে শেষ পর্যন্ত এ তিনজনের একজন চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে ঘোষিত হবেন। এ ছাড়া এই আসন থেকে নির্বাচনে রয়েছেন গণ অধিকারপরিষদ মনোনীত বি এম গোলাফ হোসেন, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি) মনোনীত রাশিদা আক্তার মিতু, নাগরিক ঐক্য মনোনীত এনামুল হক, বাংলাদেশ রিপাবলিকান পার্টি মনোনীত ফয়জুন্নুর আখন রাসেল।