সোনাগাজী থেকে লুট হওয়া ১১ গরু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ২

সোনাগাজী থেকে লুট হওয়া ১৬টি গরুর মধ্যে একাধিক অভিযানে ১১টি গরু উদ্ধার করতে সক্ষম হয়েছে মডেল থানা পুলিশ। এসময় গরু লুটের সাথে জড়িত আন্ত:জেলা চোর চক্রের ২ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সুত্রে জানা গেছে,গত বছরের ৩১ ডিসেম্বর উপজেলার চর দরবেশ ইউনিয়নের পূর্ব চর সাহাভিকারী গ্রামের বাসিন্দা শাহআলমের খামার থেকে অজ্ঞাতনামা চোরেরা ট্রাকযোগে  ১৬টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় তিনি  বাদী হয়ে পরদিন সোনাগাজী মডেল থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন। পরে পুলিশ দণ্ডবিধির ৪৫৭/৩৮০ ধারায় মামলাটি এফআইআর হিসেবে নথিভুক্ত করে।

মামলার পর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুর রহমানের তত্ত্বাবধানে তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই মো. নুরুল ইসলামের নেতৃত্বে পুলিশের একটি দল অভিযান শুরু করে। তারা তথ্য প্রযুক্তি ও গোপন সূত্রের মাধ্যমে নোয়াখালী, ফেনী, কুমিল্লা ও চাঁদপুর জেলার বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে।

অভিযানে গত ৬ জানুয়ারি কুমিল্লার বরুড়া থানাধীন আকুসাইর এলাকা থেকে একটি চোরাইকৃত গরুসহ একজন আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়। পরবর্তীতে ১২ জানুয়ারি সোনাগাজী উপজেলার মতিগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে আরও একটি চোরাইকৃত গরু উদ্ধার করা হয়।

সর্বশেষ গত ১৩ জানুয়ারি রাতে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানাধীন চৌয়ারা গরু বাজারে অভিযান চালিয়ে একটি চোরাইকৃত গরু উদ্ধারসহ সোহাগ নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তিনি চাঁদপুর জেলার কচুয়া উপজেলার সানন্দকড়া (লতিফ সাহেবের বাড়ি) এলাকার বাসিন্দা। তার দেওয়া তথ্যমতে কচুয়া উপজেলার সানন্দকড়া এলাকা থেকে আরও ৮টি চোরাইকৃত গরু উদ্ধার করা হয়।

পুলিশ আরও জানায়, এ মামলার সঙ্গে জড়িত সন্দেহভাজন চারজনকে বিজ্ঞ আদালতে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হয়েছে। তারা ইতোমধ্যে কুমিল্লা সদর দক্ষিণ থানার একটি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছ। 

সোনাগাজী মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) শফিকুর রহমান জানান, চুরি হওয়া অবশিষ্ট পাঁচটি গরু উদ্ধার এবং আন্তঃজেলা চোর চক্রের সক্রিয় সদস্যদের গ্রেপ্তার অভিযান অব্যাহত রয়েছে।